এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > কান ধরে ওঠবোসের চরমশিক্ষা ভোটবাক্সে শাসকদলকে ‘গণতন্ত্রের থাপ্পড়’ গ্রামবাসীদের

কান ধরে ওঠবোসের চরমশিক্ষা ভোটবাক্সে শাসকদলকে ‘গণতন্ত্রের থাপ্পড়’ গ্রামবাসীদের



দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন তিনি। ফলাফল ভালো হয়নি। দলের শীর্ষ কর্মীরা তাকে কানধরে উঠবস করিয়েছিলেন।গলায় জুতোর মালা পরেও ঘোরানো হয়েছিলো। তিনি মেদিনীপুর সদর অঞ্চলের কনকাবতী গ্রাম এর প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী কবিতা দাস। পঞ্চায়েত ভোটে ছাপ্পা ভোটের বিরোধিতা করলে শাস্তি পেতে হয় তাঁকে। তবে অপরাধীদের অপরাধ মেনে নেননি গ্রামবাসীরা। লোকসভা ভোটে ঘাসফুলকে কার্যত মাড়িয়ে পদ্মফুল আনলেন তারা।

এক বছর আগে বাগডুবি গ্রামের ঘটনা দেশজুড়ে প্রশ্ন তুলেছিলো। ওই গ্রামের পঞ্চায়েত ভোটের সময় তোলা ভিডিওয় দেখা যায় ছাপ্পা ভোট দিচ্ছে দলের সদস্যরাই। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেন তৎকালীন তৃণমূল পঞ্চায়েত নেত্রী কবিতা দাস। যার ফলে হয় মর্মান্তিক। কান ধরে উঠবস এবং গলায় জুতোর মালা পরিয়ে ঘোরানোর ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সারা দেশ জুড়ে নিন্দা ওঠে। এই ঘটনার পরে গত সেপ্টেম্বরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন কবিতা।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এর পর লোকসভা ভোটে হার হয় তৃণমূলের।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগডুবির বুথে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ৪১০। বিজেপি পেয়েছে ৪৫৩ ভোট। আর বামেরা পেয়েছে ২২। পাশের বুথেও হেরেছে তৃণমূল। তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ৫১১। বিজেপির প্রাপ্ত ভোট ৫১৯। আর বামেরা ৩৪।

ভোটের এই হারের জন্য তৃণমূল কর্মীদের কৃতকর্ম কেই দায়ী করছেন নিগৃহীতা কবিতা দাস। তাঁর কথায়, ‘যে কাজ ওরা  করেছিল, তার যোগ্য জবাব পেয়ে গিয়েছে।’ কবিতাদেবীর স্বামী গোপাল দাস বলছেন, ”এলাকার মানুষ তৃণমূলকে হারিয়েছেন। আমরা খুশি। বিচারের জন্য লড়াই চলবে।”কনকাবতীর বিজেপি নেতা সুজয় দাস বলেন, ”বাগডুবির বুথে তৃণমূল হেরেছে। এলাকার মানুষ ভোটেই ওদের যোগ্য জবাব দিয়েছেন।”

কনকাবতীর তৃণমূল নেতা বিশ্বজিত্‍ কর্মকার বলেন, ”সেদিনের ঘটনা দল সমর্থন করেনি। ভোটের ফল কেন এমন হল তা খতিয়ে দেখা হবে।”ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সঞ্জিত কুইল্যাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি। মানুষের বিচার পেয়ে গেলেও এখন আইনের বিচারেরঅপেক্ষায় রয়েছেন কবিতাদেবী।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!