এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ভোটের আগে আরও “অমানবিক” রাজ্য সরকার, কম্পিউটার শিক্ষকদের আন্দোলনে চলল নির্বিচারে লাঠি

ভোটের আগে আরও “অমানবিক” রাজ্য সরকার, কম্পিউটার শিক্ষকদের আন্দোলনে চলল নির্বিচারে লাঠি

একের পর এক শিক্ষকদের আন্দোলনে লোকসভা নির্বাচনের আগে রীতিমতো বেসামালে এরাজ্য। এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের অনশনের পর উচ্চ প্রাথমিক এবং মাদ্রাসা শিক্ষক পদপ্রার্থীদের আন্দোলনে ইতিমধ্যেই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রাজ্য সরকারের কপালে। আর এবার কম্পিউটার শিক্ষকদের অবস্থান আন্দোলনকে বলপূর্বক সরাতে গিয়ে রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধেই লাঠিচার্জের অভিযোগ তুললেন সেই শিক্ষকদের একাংশ।

প্রসঙ্গত, গত 2013 সালে চুক্তির ভিত্তিতে কিছু শিক্ষককে বেসিক কম্পিউটার লিটারেসি প্রোগ্রামের অধীনে নিয়োগ করা হয়। জানা গেছে, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে ওয়েবেলকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও ওয়েবেল সরকার নিয়ন্ত্রাধীন সংস্থা হওয়ায় এই নিয়োগের জন্য কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি হয়নি।

আর এরপরই ওয়েবেলের পক্ষ থেকে একটি বেসরকারি সংস্থাকে এই শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব দেওয়া হলে গত 2013 সালে তারা সাড়ে 6 হাজার শিক্ষককে নিয়োগ করে এবং পরে অন্য দুটি সংস্থার মাধ্যমে 1000 থেকে 1200 শিক্ষক নিয়োগ হয়। আর এরপরই তাদের বেতন কম দেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল শিক্ষা সেলের তরফে মামলা করেন জয়দেব গিরি। শিক্ষকদের অভিযোগ, যে সমস্ত চুক্তির ভিত্তিতে তারা কাজ করছেন তাদের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

তাই তারা যদি প্রাপ্য বেতন না পান তাহলে সেই ব্যাপারে সরকারের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা উচিত। আর এদিন সেই দাবি তুলে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের একটি অংশ মিন্টো পার্ক থেকে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির দিকে রওনা দিলে শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির কাছে শক্তি সংঘ ক্লাবের সামনে তারা বসে পড়েন। অভিযোগ, এখানেই পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের লাঠিচার্জ করা হয়। আর এরপরই গোটা ঘটনায় চরম বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়।

এদিকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তিতে এদিন 5 জন আহত হয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে 6 জন শিক্ষককে গ্রেপ্তার এবং আরও 56 জন আহত হয়েছেন বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। সব মিলিয়ে এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে কম্পিউটার শিক্ষকদের আন্দোলনে নির্বিচারে লাঠি চালানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে অমানবিকতার অভিযোগ উঠতে শুরু করল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!