এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ভোট কর্মীদের সুরক্ষা কোথায়? লোকসভার মুখে নতুন করে উঠে আসছে রাজকুমার রায়ের ভয়াবহ মৃত্যুকান্ড

ভোট কর্মীদের সুরক্ষা কোথায়? লোকসভার মুখে নতুন করে উঠে আসছে রাজকুমার রায়ের ভয়াবহ মৃত্যুকান্ড

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে ব্যাপক সন্ত্রাসের কথা তুলে ধরে ইতিমধ্যেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যাতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিয়ে ভোট করানো সম্ভব হয়, তার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। কিন্তু এখনও পর্যন্ত প্রায় প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিয়ে বিনা সন্ত্রাসে এই গোটা নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পন্ন করা যাবে কিনা সেই ব্যাপারে কোনোরূপ নিশ্চিত বার্তা দিতে দেখা যায়নি নির্বাচন কমিশনকে।

আর তাই বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটকর্মী হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক রাজকুমার রায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর এবার সেই মৃত শিক্ষক রাজকুমার রায়ের রাহতপুর হাইমাদ্রাসার শিক্ষকেরা ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে আশঙ্কা প্রকাশ করতে শুরু করেছে। অতীতের স্মৃতি এখনও তাদের মন থেকে মোছেনি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় সতীর্থকে হারিয়ে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত না হলে তারা ভোটের ডিউটিতে অংশগ্রহণ করবে না বলে ইতিমধ্যেই সেই রাহতপুর হাইমাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক শহিদুর রহমানের কাছে আবেদন জানিয়েছে তারা। আর ইতিমধ্যেই শিক্ষকদের নিরাপত্তা ব্যাপারটি সুনিশ্চিত করতে প্রধান শিক্ষক শহিদুর রহমানও নির্বাচন কমিশনের একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

এদিন এই প্রসঙ্গে শহিদুর বাবু বলেন, “ভোট যত এগিয়ে আসছে আমাদের শিক্ষকদের আতঙ্ক তত বাড়ছে, নিরাপত্তা সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পেলে আমরা ভোটের ডিউটিতে যেতে রাজি। কিন্তু সেই নিরাপত্তার ব্যাপারটাই নিশ্চিত করতে পারছে না নির্বাচন কমিশন এবং জেলা প্রশাসন। তাই আমরা চিঠি দিয়ে গোটা ব্যাপারটি সম্পর্কে জানতে চেয়েছি।”

অন্যদিকে শিক্ষকদের এহেন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক স্বপন মন্ডল। এদিন তিনি বলেন, “রাহতপুর হাইমাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। নিজের স্কুলের শিক্ষকদের নিরাপত্তা দিতে তার মতোই ভূমিকা অন্যান্য প্রধান শিক্ষকদের পালন করা উচিত।”

সব মিলিয়ে অতীতের স্মৃতিকে মাথায় নিয়ে সেই রাজকুমার রায়ের ভয়াবহ মৃত্যু কান্ডের ঘটনা যাতে আর ফিরে না আসে, তার জন্য এবার প্রথম থেকেই নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে নিরাপত্তা সুনিশ্চিতের আশ্বাস পেয়েই ভোট কর্মী হিসেবে নামতে চায় এই উত্তর দিনাজপুরের রাহতপুর হাইমাদ্রাসার শিক্ষকেরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!