এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উৎসবের মরশুমে গোলমাল আটকাতে জেলার মন্ত্রীদের বড়সড় নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

উৎসবের মরশুমে গোলমাল আটকাতে জেলার মন্ত্রীদের বড়সড় নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

দুর্গোৎসবে রাজ্য থাকবে নির্ঝঞ্চাট এবং দুর্ঘটনামুক্ত। এমনটাই ইচ্ছা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাই দেবীপক্ষের সূচনার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাকে নিরাপত্তায় বেঁধে ফেলার নির্দেশ দিলেন নেত্রী। এদিন নবান্নে রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠক ডেকে জেলা নেতৃত্বদের কড়া নিদান দিয়ে নেত্রী বললেন,পুজোর সময় জেলা ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়া যাবে না। সমস্ত রকম অশান্তি এড়াতে নজরদারি চালাতে হবে। পুলিশের সঙ্গে সমঝোতা রেখে কাজ করতে হবে। রাজ্যবাসীর উৎসবমুখরতার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতিরা এই সময় যাত সক্রিয় হয়ে না উঠতে পারে সেদিকেও সচেতন থাকার নির্দেশ দিলেন রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে।

অন্যান্য বছর গুলোর মতো এবছরও চতুর্থী-পঞ্চমী থেকেই মন্ডপে মন্ডপে ভীড় জমতে শুরু হয়ে যাবে দর্শনার্থীদের। যাতে আরেকটি খাগড়াগড় বিষ্ফোরণের সাক্ষী না হয় মানুষ সেজন্যে পুলিশকে নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন নেত্রী। অন্যান্য মন্ত্রীসভার বৈঠকের মতোই এদিনও শিক্ষা,স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নিয়োগ নিয়েও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সব আলোচনাকে ছপিয়ে এদিনের বৈঠকে বেশি গুরুত্ব পায় পুজোর মরশুমের নিরাপত্তার প্রসঙ্গটি। সুস্থভাবে যাতে দুর্গাপুজো সম্পন্ন হয় সেদিকেই পাখির চোখ করেছেন নেত্রী।

প্রসঙ্গত,গত ৫ অক্টোবর থেকেই শহরের নানান পুজামন্ডপের উদ্বোধণের সূত্র ধরে পুজা পরিক্রমায় বেরিয়ে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লোকসভা ভোটের এই প্রস্তুতিলগ্নে জনসংযোগ তৈরি করার অন্যতম উপায় হিসাবে এই পথকেই বেছে নিয়েছেন নেত্রী। এবং দলীয় নেতৃত্বদের পুজোর মরশুমকে কাজে লাগিয়ে এভাবে মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কোলকাতার বেশ কয়েকটি পুজোর সঙ্গে তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রীদের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। এককথায় এগুলো তাঁদের পুজো হিসাবেই বেশি পরিচিত এবং জনপ্রিয়ও।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

যেমন ফিরহাদ হাকিমের চেতলা অগ্রণী ক্লাবে পুজো তো রয়েইছে, পাশাপাশি তাকে হাওড়া,বীরভূম,দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার দলীয় পর্যবেক্ষক করায় সেইসব জেলা সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া এবং যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইরকমভাবে অরূপ বিশ্বাস জেলা পর্যবেক্ষক হিসাবে নিজের কোলকাতার অন্যতম সেরা সুরূচি সংঘের পুজো তদারকি করার সঙ্গে সঙ্গে হুগলি দুই বর্ধমান,উত্তরবঙ্গের উপর নজর রাখবেন,জনসংযোগ বাড়বেন। একইরকম নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীদের উপর। মুখ্যমন্ত্রী বাঙালির শ্রেষ্ট উৎসবের আবহকে কাজ লাগিয়ে বাংলার মানুষের কাছে দলীয় ভাবমূর্তির স্বচ্ছতা তুলে ধরার এই সুযোগকে একদমই হাতছাড়া করতে চাইছেন না এই মুহূর্তে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!