এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > এবার নিজেকেও “উদ্বাস্তু” বলে সম্বোধন করলেন বিজেপির হেভিওয়েট সাংসদ! জোর চাঞ্চল্য!

এবার নিজেকেও “উদ্বাস্তু” বলে সম্বোধন করলেন বিজেপির হেভিওয়েট সাংসদ! জোর চাঞ্চল্য!

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে এখন চরম তরজা শুরু হয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে। প্রথম থেকেই এই আইনের বিরোধিতা করে তা বাতিলের দাবিতে সরব হতে দেখা গেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। পাল্টা এই আইনের পক্ষে থেকে তার ব্যাপক পরিমাণে প্রচার করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর এই পরিস্থিতিতে এবার নিজেকে “উদ্বাস্তু” বলে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সমর্থনে প্রচার করলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া।

সূত্রের খবর, এদিন বর্ধমানের পার্ক সার্কাস রোড থেকে পারবীরহাট পর্যন্ত বিজেপির পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। আর সেখানেই উপস্থিত হন স্থানীয় বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া, রাজ্য বিজেপি নেতা বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী, জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী সহ অন্যান্যরা। এদিনের এই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এনআরসির বিরোধিতা করা ব্যক্তিদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, “সারা বাংলা জুড়ে একপক্ষ এনআরসি, সিএএ এর বিরোধিতা করছেন, আর এক পক্ষ সমর্থন করছেন। কিন্তু যারা বিরোধিতা করছেন, তারা এই বিষয় সম্পর্কে কিছুই জানেন না।”

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আর এরপরই নিজের মোবাইল ফোন থেকে একটি শ্রুতি নাটক বের করে মোবাইলে তা সকলকে শুনিয়ে সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া বলেন, “উদ্বাস্তুদের কি যন্ত্রনা, তা আমি বুঝি। কারণ আমিও উদ্বাস্তু।” অন্যদিকে গোটা বিশ্বের সমস্ত দেশে নাগরিকত্বের প্রমাণ থাকলেও, ভারতের তা নেই। আর তাই সেই নাগরিকত্ব দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও এদিনের সভা থেকে দাবি করেন এই বিজেপি সাংসদ।

আর এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া বলেন, “নাগরিকত্ব নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এই রাজ্যের সীমান্ত খোলা। তাই ওদিক থেকে অনেকেই অপরাধ করে এখানে চলে আসেন। আবার তাদের দিয়েই নানা রকম অপরাধ করায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থে। মোদিজি গত পাঁচ বছরে গোটা পদ্ধতিকে সরলীকরণ করতে চাইছেন। দেশের নাগরিক কত, না জানেন মোদীজি, না জানেন দিদি। নাগরিকের সংখ্যা না জানলে বাজেটে বরাদ্দ হবে কিভাবে! দিদি বলছেন, তিনি সিএএ মানবেন না। কিন্তু আজ না হয় কাল, তাকে এটা মানতেই হবে।” সব মিলিয়ে এবার নিজেকে উদ্বাস্তু বলে পরিচয় দিয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সমর্থনের কথা বলে সোরগোল করে তুলে দিলেন হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!