এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ত্রিপুরায় কেন্দ্রীয়হারে বেতন পুজোর আগেই, বাংলায় কবে পাবেন সরকারি কর্মীরা? বাড়ছে হতাশা

ত্রিপুরায় কেন্দ্রীয়হারে বেতন পুজোর আগেই, বাংলায় কবে পাবেন সরকারি কর্মীরা? বাড়ছে হতাশা

দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষারত কর্মচারীদের জন্যে অবশেষে খুশির খবর দিলেন ত্রিপুরার উপ-মুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মণ। সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পেতে চলেছেন ত্রিপুরার সরকারী কর্মচারীরা। রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মণ জানালেন আসন্ন শারদোৎসবের আগেই সপ্তম বেতন কমিশনের নিয়ম অনুসারে বেতন ক্রম চালু হতে চলছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে কর্মচারীদের এই বেতন বৃদ্ধি সরকারের পক্ষ থেকে কর্মচারীদের জন্য পুজোর উপহার। এদিন জিষ্ণু দেববর্মণ জানালেন সপ্তম বেতন কমিশন লাগু করা নিয়ে অনেকের নানা মতামত থাকতেই পারে কিন্তু এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের একটাই লক্ষ্য – ভিশন ডকুমেন্টে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পালন করা। সেই প্রতিশ্রুতি অনুয়ারীরই পুজোর আগেই সপ্তম বেতন কমিশন অনুযায়ী বেতন পেয়ে যাবেন সরকারী কর্মচারীরা।

অবশ্য রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ জানিয়েছেন, সরকার রাজ্যবাসীর কাছে দায়বদ্ধ। তাই অবিলম্বেই রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা সপ্তম কমিশন অনুযায়ী বেতন পাবেন। একই সাথে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তম বেতন কমিশন সংক্রান্ত ভার্মা কমিটির মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে একথা ঠিকই, কিন্তু নতুন আবেদনের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার এই কমিটির মেয়াদ আগামী ৩১ শে অগষ্ট অবধি সম্প্রসারিত করেছে।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তিনি আরো দাবি করেছেন, এই অতিরিক্ত সময়ের মধ্যেই এক্সপার্ট কমিটি তাঁদের রিপোর্ট জমা দিয়ে দেবে। সূত্রের খবর, দুর্গা পূজোর আগেই কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা দেও‍য়ার জন্যে সরকার যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছে বিপ্লব দেবের নেতৃত্ত্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, ত্রিপুরায় নির্বাচনের আগে বিজেপির বড় দাবি ছিল যে ক্ষমতায় এলে গেরুয়া শিবির ত্রিপুরার রাজ্য সরকারি কর্মীদের কেন্দ্রীয়হারে বেতনের ব্যবস্থা করবে।

অন্যদিকে, ত্রিপুরাতেও কেন্দ্রীয়হারে বেতন চালু হয়ে যাওয়ায় চূড়ান্ত ক্ষোভ বেড়েছে বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে। একে বকেয়া ডিএর দেখা নেই – তার উপরে বেতন কমিশনের মেয়াদ বাড়তে বাড়তে তিন বছর হয়ে গেল। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী সামনের বছর থেকে ঘুরপথে ১২৫% ডিএ দিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করায় – কেন্দ্রীয়হারে বেতন কবে পাওয়া যাবে তা নিয়ে রীতিমত আশঙ্কায় ভুগছেন তাঁরা। সবমিলিয়ে পুজোর আগেই যখন ত্রিপুরার বাঙালিরা সরকারি ঘোষণায় আনন্দে আত্মহারা তখন বাংলার বাঙালিদের জন্য শুধুই একরাশ অন্ধকার বলে দাবি।

আপনার মতামত জানান -
Top