এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পদ হারালেন অভিষেক-ঘনিষ্ঠ হেভিওয়েট নেতা, তুমুল শোরগোল শাসকদলের অন্দরেই

পদ হারালেন অভিষেক-ঘনিষ্ঠ হেভিওয়েট নেতা, তুমুল শোরগোল শাসকদলের অন্দরেই

দীর্ঘদিন ধরেই শাসকদলের অন্দরে হেভিওয়েট ‘ডাক্তার-জুটির’ ডানা ছাঁটা নিয়ে জল্পনা চলছিল। মূলত এনআরএস হাসপাতালে চিকিত্‍সকদের আন্দোলনের পর থেকেই সেই জল্পনা আরও বৃদ্ধি পায়। যেখানে অভিযোগ ওঠে যে, বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে তৃণমূলের চিকিত্‍সক সংগঠনের দায়িত্বে থাকা শান্তনু সেন ও নির্মল মাজি ব্যর্থ হয়েছেন। আর তার ফলেই তৃনমূল তাঁদের চিকিত্‍সক সংগঠনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে পারে।

তবে নির্মল মাজির ক্ষেত্রে এই জল্পনা সত্যি না হলেও এবার পদ খোয়াতে হল দলের অঘোষিত দুনম্বর নেতা অভিষেক বান্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনকে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য এবং পরিবার উন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যানের পদ থেকে শান্তনু সেনকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয়। কিন্তু ঠিক কি রয়েছে সেই বিজ্ঞপ্তিতে?

জানা গেছে, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদ ডা. শান্তনু সেনকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহাকে। তবে শান্তনুবাবুকে সরিয়ে দিলেও ওই হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির অন্য যাঁরা সদস্য ছিলেন, তাঁদের দায়িত্বের কোনও পরিবর্তন হয়নি। তবে এই প্রথম নয় এর আগেও ডানা ছাঁটা হয়েছিল এই তৃণমূল সাংসদের।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, এনআরএস কাণ্ডের পরেই আরজি কর কলেজ ও হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় শান্তনুবাবুকে। যেখানে দায়িত্বে আসেন সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার। এবার শান্তনুবাবুকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হল। তবে সমালোচক মহলের একাংশ শান্তনুবাবুর এই ভাবে ডানা ছাঁটার পরে দলে তাঁর গুরুত্ব কমছে বলে দাবি করলেও তা মানতে নারাজ ঘাসফুল শিবিরের একাংশ।

তৃণমূলের একটা অংশের মতে, আরজি কর এবং ন্যাশনাল মেডিক্যাল হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান থেকে সরানোর ফলে ডা. শান্তনু সেনের গুরুত্ব কমছে না। বরং তাঁকে আরও বড় দায়িত্ব দিতে চাইছে দল। তাই এই ধরনের পদ থেকে সরিয়ে তাঁর কাজ কমানো হচ্ছে। এনআরএসের ডাক্তারদের আন্দোলনের সঙ্গে এর কোনও যোগ নেই। তবে দলে তাঁরই বিরোধী মহলের পাল্টা দাবি, এনআরএস হাসপাতালে বিক্ষোভ থামানোর বদলে তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন শান্তনু সেন।

এমনকি বহিরাগত তত্ত্ব খাড়া করে ডাক্তারদের আন্দোলনকে বিপথে পরিচালিত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। যাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি বেশ জটিল হয়ে উঠেছিল। যার জেরে তৃণমূলকে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয়। তবে পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভ থামিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনলেও এই হাসপাতালের দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও শান্তনুবাবুর ভূমিকা নিয়ে তৈরি হয় প্রশ্ন। আর এবার তাঁকে আর এক হাসপাতালের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!