এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > টাকা ফেরানো নিয়ে অভিনব ‘যুক্তি’ সামনে আনলেন তৃণমূল সাংসদ, তবুও কি থামছে প্রশ্ন?

টাকা ফেরানো নিয়ে অভিনব ‘যুক্তি’ সামনে আনলেন তৃণমূল সাংসদ, তবুও কি থামছে প্রশ্ন?

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে রাজ্যে বিজেপি ভালো ফল করেছে। আর গেরুয়া শিবিরের উত্থানের পরই, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে সিবিআই, ইডিকে ব্যবহার করে ফের তৃণমূল সাংসদদের ডেকে পাঠাচ্ছে বলে অভিযোগ করতে দেখা গেছে রাজ্যের শাসকদলকে। কিছুদিন আগেই সারদাকাণ্ডে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়কে ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

আর তারপরই সারদার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি যত টাকা নিয়েছেন, তা তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ফেরত দেবেন বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন শতাব্দীদেবী। যা নিয়ে বিরোধীদের তরফে তাঁকে অনেক কটাক্ষেরও শিকার হতে হয়েছিল। অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন, তাহলে নিশ্চিৎভাবেই সারদা-কাণ্ড থেকে সুবিধাভোগী এই তৃণমূল সাংসদ। আর তাইতো এখন চাপে পড়ে সিবিআইয়ের জালে যাতে তিনি ধরা না পড়েন, তার জন্য টাকা ফেরত দিতে চাইছেন তিনি।

বিরোধীদের তরফে যখন এই দাবি তোলা হচ্ছে, ঠিক তখনই কেন তিনি টাকা ফেরত দিচ্ছেন, তা নিয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করলেন বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সূত্রের খবর, শুক্রবার নলহাটির ভগলদিঘি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী আবাসের উদ্বোধন করেন এই তৃণমূল সাংসদ। আর এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। যেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয় যে, চিটফান্ড সংস্থার টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত তিনি কেন নিলেন?

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কাউকে ভয় পেয়ে নয়। আমি কি করব, সেটা আমার সিদ্ধান্ত। যে টাকা নিয়েছিলাম, সেটা আমার পারিশ্রমিক।” কিন্তু কেউ যদি পারিশ্রমিকই নেয়, তাহলে তিনি সেই টাকা ফেরত দিতে চাইছেন কেন! এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ বলেন, “শান্তি যদি কিনতে হয় কিনব। অশান্তি আর ভালো লাগছে না। তাছাড়া তোমাদের এই প্রশ্নও আর আমার ভালো লাগছে না।” শুধু তাই নয়, মানসিক শান্তি কিনতেই তিনি সারদার টাকা ফেরত দিতে চাইছেন বলেও এদিন জানিয়ে দেন শতাব্দী রায়।

আর এরপরই সাংবাদিকদের একাংশ তাকে প্রশ্ন করেন, তাহলে কি তিনি তাঁর দলের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিশিষ্ট অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর পথেই পা বাড়াবেন! এই প্রসঙ্গে বীরভূমের তৃণমূল সাংসদের সংক্ষিপ্ত জবাব, “ভাবছি।” রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসলে সিবিআই তাঁকে জেরা করবার জন্য ডাকার পরেই কিছুটা হলেও চাপে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়।

ব্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তিনি যদি সারদা থেকে পারিশ্রমিক বাবদ টাকাই নিয়ে থাকেন, তাহলে তা তিনি ফেরত দিতে যাবেন কেন! তা নিয়ে প্রশ্ন করতেও দেখা গেছে একাংশকে। আর তাইতো এদিন মানসিক শান্তি কিনতেই তিনি সারদার টাকা ফেরত দিচ্ছেন বলে গোটা ব্যাপারটিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেন বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ বলে মত সমালোচক মহলের। তাঁর এই নতুন ‘যুক্তি’ সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধীরা কিভাবে নেন এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

Top
error: Content is protected !!