এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > গভীর রাতে রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে এক ঝাঁক তৃণমূল সাংসদের গোপন বৈঠক ঘিরে তীব্র জল্পনা

গভীর রাতে রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে এক ঝাঁক তৃণমূল সাংসদের গোপন বৈঠক ঘিরে তীব্র জল্পনা

Priyo Bandhu Media

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের স্বপ্ন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ৪২ টির মধ্যে ৪২ টি আসনেই জয়লাভ করবে তারা, আর তারফলে কেন্দ্র থেকে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারকে সরিয়ে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন আপামর তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও প্রিয় দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, এরই পাশাপাশি গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য রাজ্য জুড়ে বইছে প্রবল পরিবর্তনের হাওয়া – আর সেই হাওয়াই গেরুয়া ঝড় হয়ে নাকি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কাঁপিয়ে দেবে বঙ্গভূমি, যার জেরে গেরুয়া শিবিরের দখলে যাবে অন্তত ২২-২৩ টি আসন।

আর গেরুয়া শিবিরের সেই স্বপ্নকে বাস্তবের রূপ দিতে একের পর এক কেন্দ্র্রীয় স্তরের নেতা ও বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাংলার বুকে জনসভা করে যাচ্ছেন। কে নেই সেই তালিকায়? দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ থেকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব – একের পর এক বাঘা বাঘা নাম। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহার কথায়, এরপর নাকি কেন্দ্রীয় নেতাদের এত হেলিকপ্টার বাংলার আকাশে চক্কর দেবে যা দেখে হাঁ হয়ে যাবে রাজ্য-রাজনীতি!

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এরই পরিপ্রেক্ষিতে কিছুদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ মুকুল রায়ের হাত ধরে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একঝাঁক অভিযোগ তুলে গেরুয়া শিবিরে পা দিলে জল্পনা ছড়ায় – আরও অন্তত ১০ জন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ বিজেপিতে যোগদানের জন্য পা বাড়িয়ে আছেন। এমনকি, আকারে-ইঙ্গিতে সেই নাম গুলোও ক্রমশ স্পষ্ট হতে থাকে। কিন্তু, তারপরেই গেরুয়া শিবিরের একাধিক সূত্র থেকে জানানো হয় – এই সাংসদরা দলবদলে আগ্রহী হলেও, দলবদল করলেই নাকি ‘মিথ্যা মামলায় ফেঁসে’ যাওয়ার আশঙ্কা করছেন। তাই এখনই নাকি তাঁরা দলবদল করছেন না – ‘সঠিক সময়ে’ সেই দলবদল হবে।

অন্যদিকে, বিজেপির প্রচারে গতকাল রাজ্যে আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতা রাজনাথ সিং। রাজনৈতিক মহলে, তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত কাছের ও প্রিয় মানুষ বলেই পরিচিত। আর রাজনাথ সিং রাজ্যে আসতেই, তাঁর সঙ্গে একঝাঁক তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এক বৈঠকের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়, তবে ঠিক কবে, কোথায় ও কখন সেই বৈঠক হয়েছিল তা স্পষ্টভাবে জানা যায় না। সেই তালিকায় ছিলেন – সৌগত রায়, মানস ভূঁইয়া, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, দীনেশ ত্রিবেদী ও সুব্রত বক্সী। আর সেই বৈঠকের ছবি সামনে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। রাজনাথ সিংই কি এঁদের বৈঠকে ডেকেছিলেন নাকি এই তৃণমূল নেতারাই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই বৈঠকে গিয়েছিলেন? যদি তৃণমূল নেতারা যান তাহলে কার নির্দেশে গিয়েছিলেন? ওই বৈঠকের আলোচ্য বিষয়ই বা কি ছিল? এইসব আলোচনা নিয়েই আপাতত সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের সেই বৈঠকের ছবি।
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!