এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপির উত্থানে দলে ভাঙন ধরলেও মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘বিশ্ববাংলা’ নিয়ে আশাবাদী তৃণমূল নেতা

বিজেপির উত্থানে দলে ভাঙন ধরলেও মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘বিশ্ববাংলা’ নিয়ে আশাবাদী তৃণমূল নেতা

Priyo Bandhu Media

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েও মুকুল রায় দেখিয়ে দিয়েছেন ‘মুকুল-ম্যাজিক’ কাকে বলে! নিখুঁত রাজনৈতিক অঙ্ক কোষে প্রবল প্রতাপশালী তৃণমূলকে বড়সড় ধাক্কা দিয়ে রাজ্য থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন ১৮ টি লোকসভা আসন। তবে, এখানেই শেষ নয় মুকুল রায় শিবিরের দাবি, এবার নাকি তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য বাংলায় পরিবর্তনের পরিবর্তন করা। আর সেই লক্ষ্যেই লোকসভা নির্বাচন মিটতে না মিটতেই তৃণমূল কংগ্রেস শ বিরোধী দলগুলিতে ভাঙন ধরানোর কাজে লেগে পড়েছেন তিনি।

গতকালই তাঁর হাত ধরে বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়, হেমতাবাদের সিপিএম বিধায়ক দেবেন্দ্র রায় ও বিষ্ণুপুরের কংগ্রেস বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্য্য গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। একইসঙ্গে, মুকুল রায়ের তুখোড় রাজনৈতিক চালে উত্তর ২৪ পরগনার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পুরসভা – নৈহাটী, হালিশহর ও কাঁচরাপাড়া চলে এসেছে বিজেপির দখলে। এমনকি মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যাওয়া ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের হাত ধরে বিজেপি দখল করে নিয়েছে ভাটপাড়া পুরসভাও।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেস মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন, তৃণমূলের মাত্র একজন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন, যিনি যোগ দিয়েছেন তাঁকে দল সাসপেন্ড করেছিল! বিজেপিতে আজ যোগ দেওয়া বাকি দুই বিধায়ক তৃণমূলের না হওয়ায়, তাঁদের নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে না চাইলেও তৃণমূলের বিধায়ক-কাউন্সিলরদের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে পার্থবাবু বলেন, এসব নিয়ে কিছু বলার নেই, ঢেউয়ের মতো আসবে আবার চলে যাবে! পতাকা এদিক ওদিক করলেই কী সব সম্ভব?

বিজেপি রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে ভালো ফল করার পরে তৃণমূলে ভাঙন অবশ্যম্ভাবী বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ফলে, রাজ্যের শাসকদলকে বেশ কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। তবে এসব সম্ভাবনাকে বিশেষ পাত্তা দিতে চাইছেন তৃণমূল মহাসচিব। তাঁর মতে, যাঁরা ঢেউয়ে নিজেদের ভাসিয়ে দিতে চেয়েছেন, তাঁরা দেবেন, তাঁরা চিরকালই দিয়েছেন! কিন্তু, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগ্রামের সাথী, যাঁরা তাঁর সঙ্গে আছেন তাঁরা সংখ্যায় অনেক বেশি। ফলে, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা যাই মনে করুন না কেন, পার্থবাবু দলীয় কর্মীদের সামনে বেশ সদর্থক মনোভাব দেখাচ্ছেন বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

এদিকে, সংবাদমাধ্যমকে নিজের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিজেপিকেও তীব্র আক্রমন করেন তৃণমূল মহাসচিব। তিনি বলেন, মানুষকে প্রভাবিত করবার চেষ্টা করে তাঁরা (বিজেপি) খানিকটা সফল । – আমরা সেইদিকেই দেখব, যাতে মানুষকে তাঁদের দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে, অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে যেন কেউ ব্যবহার না করে, সেই কাজই আমরা করছি! এর পাশাপাশিই আশা বয়কট করে তিনি জানান, রাজ্যের উন্নয়নে আশা করব সবাই মিলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্ববাংলা গঠনের প্রতিশ্রুতিকে সফল করব। আমরা সিপিএমের বিরুদ্ধেও লড়াই করেছি, আমরা এইরকমভাবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধেও লড়াই করব।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!