এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান > মানবিক তৃণমূল নেতা – পুজোর আনন্দে ৪৭ দুঃস্থ ও অনাথ শিশুকে শপিংমলে নিয়ে গিয়ে নতুন পোশাক

মানবিক তৃণমূল নেতা – পুজোর আনন্দে ৪৭ দুঃস্থ ও অনাথ শিশুকে শপিংমলে নিয়ে গিয়ে নতুন পোশাক

ফের এক তৃণমূল নেতার মানবিক রূপ সামনে এল – তিনি যেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই সার্থক উত্তরসূরী, এমনটাই দাবি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকদের মধ্যে। বর্ধমান ব্লাইন্ড অ্যাকাডেমির কটেজ সেকশানের ২৫ আবাসিক সহ মোট ৪৭ জন দুঃস্থ এবং অনাথ শিশু কিশোরদের একটি শপিং মলে নিয়ে গিয়ে পুজোর জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে নতুন জামা প্যান্ট কিনে দিলেন জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু।

সূত্রের খবর, প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ করে অনাথ শিশুদের পছন্দমতো প্রত্যেককে দু সেট করে জামা প্যান্ট কিনে দেন। পুজোতে ঠাকুর দেখার জন্য নতুন জামা কাপড় পেয়ে উচ্ছ্বসিত দুঃস্থ ও অনাথ শিশুরা। মুখে হাসি নিয়ে আনন্দের সঙ্গে নতুন জামা প্যান্ট সমেত শপিংমল থেকে বেরোয়া তারা। এদিকে অভাবী শিশুদের পুজোর শপিং করিয়ে বেজায় খুশি দেবুবাবুও। এতবড় একটি পদক্ষেপের পর হাসিহাসি মুখে তিনি জানালেন, “অ্যাকাডেমির আবাসিকরা নিজেরাই জামা প্যান্ট চয়েস করেছে। পুজোর মুখে নতুন জামাপ্যান্ট পেয়ে ওদের আনন্দ আমায় ভীষণ তৃপ্তি দিয়েছে”।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না – তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

ব্লাইন্ড অ্যাকাডেমিতে যেসব আবাসিকরা রয়েছেন তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই তফসিলি সম্প্রদায়ভুক্ত। এঁদের মধ্যে প্রত্যেকেই দুঃস্থ পরিবার থেকে এসেছেন। বেশ কয়েকজন অনাথ শিশুও রয়েছেন। সামান্য আদর যত্ন পাওয়ার জন্য যাঁরা মুখিয়ে থাকে, তাঁরা কীভাবে জানবে পুজোর আনন্দ কি জিনিস? তবে, তৃণমূল নেতা দেবু টুডুর সহায়তায় শিশুদের এই আনন্দ লাভ হয়েছে – আর তাই অত্যন্ত খুশি তৃণমূল সমর্থকরা। পুজোর আনন্দ থেকে শিশুদের বঞ্চিত হতে দেননি তিনি।

প্রসঙ্গত, জেলা পরিষদের সভাধিপতি থাকাকালীন তিনি বেশ কয়েকবার ব্লাইন্ড অ্যাকাডেমির কটেজ সেকশনে যান। আবাসিকদের দুঃখ-কষ্ট দেখে তিনি বিভিন্ন সময়ে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতিও দেন এবং তাঁর কথা অনুযায়ী কাজও করেছেন তিনি। মাঝেমধ্যেই তিনি নিজের পকেট থেকেই দুঃস্থদের টিউশন ফিও দিয়ে দেন বলে জানা গেছে। এছাড়া তাঁদের দরকার মতো বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সাহায্যও করেছেন দেবুবাবু। ২০১৬ সাল থেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে দুঃস্থ এবং অনাথদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে জামাকাপড় কিনে দেন তিনি – এমনটাই জানা গিয়েছে।

সবথেকে লক্ষ্য করার মতো বিষয় হল, যখন তিনি সভাধিপতি ছিলেন তখন তিনি যেমন মানুষের প্রয়োজনে মানবিক হয়েছেন, তেমনই মানুষের প্রয়োজনে সাহা্য্যের হাত বাড়িয়ে রেখেছেন ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পরও। সাহায্য করার সঙ্গে স্বার্থের কোনো যোগসূত্র রাখেননি তিনি বা ক্ষমতা লাভের আশা মুখোশধারী হয়ে মানবিক হননি তিনি – বলে দাবি তাঁর অনুগামীদের। তাঁর এধরনের আচরণ স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসের ভাবমূর্তিকে গরিমাময় করে তুলল লোকসভা নির্বাচনের আগে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!