এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ শাসকদলের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ শাসকদলের

Priyo Bandhu Media

২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ২০১৮ তে পঞ্চায়েত ভোটের লক্ষ্যে জোর কদমে ময়দানে নেমে পড়ল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। পূর্ব বর্ধমানে প্রথম পঞ্চায়েতিরাজ সম্মেলনেই দলের জেলা পর্যবেক্ষক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস দলের নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিলেন, কোনও গ্রামে কেউ সামাজিক প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হয়েছেন খবর পেলে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত প্রধান বা নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইভাবে মঙ্গলবার দুপুরে রায়নার সেহারাবাজার ফুটবল মাঠের ওই সম্মেলনে বিজেপিকেও নানা ভাবে কটাক্ষ করেন তিনি। অন্যদিকে এদিনই আর একটি সম্মেলন হয় বুদবুদের মহাকালী উচাবিদ্যালয়ের মাঠে। সেই সভা থেকে অরূপবাবু বলেন, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একগুচ্ছ সামাজিক প্রকল্প নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্রামের কোন পরিবার কি কি সুবিধা পাচ্ছেন, তা দলের নেতাদের নখদর্পনে থাকা উচিত। এর সাথেই তাঁর হুঁশিয়ারি, আর কয়েকদিন পর থেকেই আমরা গ্রামে গ্রামে ঘুরব। কোনও মানুষ সামাজিক প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হয়েছেন জানতে পারলে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের প্রধান বা দলীয় নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানুষের কাজ করতে না পারলে পঞ্চায়েত ভোটে দাঁড়ানোর আশা ছাড়তে হবে।
এদিন অরূপবাবু ঘোষণা করেন, পূর্ব বর্ধমানের ২৩টি ব্লকেই ৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্মেলন সেরে ফেলতে হবে। তাঁর কথায়, গ্রাম ঘুরে সামাজিক প্রকল্পের যে রিপোর্ট উঠে আসবে, তার ভিত্তিতেই সম্মেলন হবে। সেখানে গ্রামের নেতাদের জবাবদিহি করতে হবে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সুরে সুর মিলিয়ে আরেক রাজ্য-মন্ত্রী তথা দলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ বলেন, গ্রামের নেতারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে রিপোর্ট তৈরি করছেন কি না দেখার জন্য নজরদারি করা হবে।
গুজরাতের ভোটের প্রসঙ্গ তুলে অরূপবাবু বলেন, সি-প্লেনে চড়ে প্রচার করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ দেড়শো আসনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। গুজরাতের মানুষ বিজেপির স্বপ্নভঙ্গ করে দিয়েছেন, বিজেপির পতনের ঘণ্টা বেজে গিয়েছে, ভেদাভেদের রাজনীতি গুজরাতের মানুষ ছুঁড়ে ফেলেছেন। তাঁর আরো মন্তব্য, আসানসোলে এসে প্রধানমন্ত্রী অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেই ধাপ্পাবাজির বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলন করছেন। তা বন্ধ করার জন্য সিবিআই-ইডির ভয় দেখানো হচ্ছে, ভয় না পেয়ে মানুষের জন্য আন্দোলন করবেন মমতা, বাংলায় বিজেপির ঠাঁই হবে না।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!