এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বাবার খুনের অভিযুক্তই তৃণমূল প্রার্থী, ক্ষোভে নির্দল প্রার্থী হলেন ছেলে

বাবার খুনের অভিযুক্তই তৃণমূল প্রার্থী, ক্ষোভে নির্দল প্রার্থী হলেন ছেলে

কোচবিহার জেলার পাটছড়া অঞ্চলে মাত্র কয়েক মাস আগে দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কংগ্রেস দলীয় কর্মী সুবাস রায়কে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিলো দলেরই অন্যনেতা কালীশঙ্কর রায় ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কালীশঙ্কর রায়, সুবাস রায় হত্যা মামলার বিচার চলাকালীন প্রায় দু মাস জেল হেফাজতে বন্দী ছিলেন। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে জেল হাজতের বাইরে। এই কালীশঙ্কর রায় আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী হলেন। অবিশ্বাস্য ভাবেই তাঁর বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন নিহত সুবাস রায়ের ছেলে বাবলা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এদিন বাবলা রায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা প্রসঙ্গে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বললেন, “দলের কাছে ইনসাফ আশা করেছিলাম। তা মিলল না। তাই লড়াইটা নিজেই লড়ব।” অন্যদিকে কালীশঙ্কর রায় বললেন, “মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছিল আমাকে। গ্রামের সাধারণ মানুষ আমার সঙ্গে আছেন।” উল্লেখ্য একদা কালীশঙ্কর রায়  ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা এবং পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। রাজ্যের শাসক দল পরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে কালীশঙ্করবাবু তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। তাঁকে পাটছড়া অঞ্চলে দলীয় সভাপতির দায়িত্ব আর অর্পন করা হয়। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি বিজয়ী হন এবং পঞ্চায়েত সমিতির উপ প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন। এইসময়ে দলের একাংশ কালীশঙ্করবাবুর রাজনৈতিক ক্রিয়া কলাপে বেজায় অসন্তুষ্ট হয়। যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন নিহত সুবাস রায়। দলীয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুয়ারী বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের টাকা তছরূপ, দুর্নীতি প্রভৃতি বিষয়ে কালীশঙ্কর রায়ের বিরুদ্ধে নানা জায়গায় অভিযোগ দায়ের করে নিহত সুবাস রায়। এরফলেই দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ সপ্তমে ওঠে। আর গত বছরের মে মাসের শেষে খুন হন সুবাস রায়। সমগ্র পাটছড়া অঞ্চলে এই ঘটনায় দ্রুত গতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ তদন্তের কাজ শুরু করে প্রথমেই অভিযুক্ত কালীশঙ্কর রায় সহ তাঁর অনুগামীদের গ্রেফতার করে। এদিকে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামীর নির্দেশে কোচবিহার-১ নম্বর তাঁকে দল বহিষ্কারও করে। খুনের মামলায় অভিযুক্ত এবং দলের আংশিক ক্ষেত্র থেকে বহিঃস্কৃত নেতা কালীশঙ্কর রায়ের এই নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পত্র পেশের ঘটনা প্রসঙ্গে  মিহির গোস্বামী বললেন , “ওই ব্যাপারে যা বলার দলের জেলা সভাপতি বলবেন।” আর দলের কোচবিহার জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বললেন, “অভিযোগ উঠলেই কেউ দোষী হয় না। অভিযোগ প্রমাণ হয়নি। তাই প্রার্থী হতে অসুবিধে নেই।”

আজ থেকে প্রিয় বন্ধু বাংলার অফিসিয়াল ফেসবুক আইডি হল – Priyo Bandhu Bengali

আমাদের সব খবর, সমস্ত আপডেট পাওয়া যাবে এখানেই – https://www.facebook.com/pbmediaofficial/

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!