এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দলীয় নেত্রীর ধর্মঘটের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হলেও তৃণমূল কর্মীদের রেল রোকো কর্মসূচি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

দলীয় নেত্রীর ধর্মঘটের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হলেও তৃণমূল কর্মীদের রেল রোকো কর্মসূচি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

রাজ্যকে সচল রাখতে ক্ষমতায় আসার পরই বনধ অবরোধ করার রাজনীতি থেকে সকলকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবার রেলের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের রামপুর স্টেশনে প্রবল বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা। কিন্তু কেন? ঠিক কি কারনে এই বিক্ষোভ?

জানা গেছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় রামপুর স্টেশনে সাতজন রেলকর্মী, আরপিএফ পোস্টিং এবং টিকিট কাউন্টার থাকলেও সেখানে গৌড় এক্সপ্রেস বাদে আর কোনো ট্রেনই দাঁড়ায় না। এমনকি বালুরঘাট-কলকাতা তেভাগা এক্সপ্রেস, বালুরঘাট- হাওড়া, বালুরঘাট-শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন ট্রেন সেই রামপুর স্টেশনের উপর দিয়ে গেলেও সেখানে না থামায় প্রবল সমস্যার সম্মুখীন হন অপেক্ষমান সাধারণ যাত্রীরা।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

প্রসঙ্গত, এই রামপুর স্টেশনটির ওপর তপন, কুমারগঞ্জ, পতিরাম, বোল্লা এবং ফুলবাড়ির একাংশ অত্যন্ত নির্ভরশীল। ফলে এই স্টেষনে ট্রেনগুলি না থামায় বাধ্য হয়ে গঙ্গারামপুর ও মালঞ্চ স্টেশনে গিয়ে সেই ট্রেনে চাপতে হয় যাত্রীদের। আর তাই এদিন হরসুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েকশো তৃণমূল কর্মী স্টেশন চত্বরে প্রবল বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে অবশ্য বিষয়টি বিবেচনার জন্য তপন থানার পুলিশ এবং আরপিএফ পৌঁছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে আশ্বাস দিলে সেই বিক্ষোভ উঠিয়ে নেয় শাসক দলের কর্মী-সমর্থকরা।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, যদি স্টেশনের উপর দিয়েই এই ট্রেনগুলি তাদের স্টপেজ না দেয় তাহলে 15 ই জানুয়ারী ফের রেল রোকো আন্দোলনে নামবেন তাঁরা। এদিকে এই ব্যাপারে সমস্যা সমাধানের জন্য উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিয়ার বিভাগের ডিআরএমের কাছে চিঠি দিলেও কোনো সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।

এদিন এই প্রসঙ্গে হরসুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সভাপতি মনসুর সরকার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই রেল আমাদের সঙ্গে বঞ্চনা করছে। রামপুর স্টেশনের উপর দিয়ে যাওয়া ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ার জন্য আমরা একাধিকবার ডিআরএমকে চিঠি দিলেও কোনো প্রতিশ্রুতি মানা হয়নি। তাই এবারে আমাদের দাবি মানা না হলে আগামী 15 ই জানুয়ারী আমরা রেল অবরোধ করব।”

এদিকে এই ব্যাপারে গোটা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান বালুরঘাটের স্টেশন মাস্টার বিশাল গৌরব। সব মিলিয়ে এবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার রামপুর স্টেশনে কোনো স্টপেজ না থাকায় রেলের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলনে গর্জে উঠলেন শাসক দলের নেতাকর্মীরা।

Top
error: Content is protected !!