এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বোর্ড গঠনে অনিয়মের অভিযোগে দলের বিরুদ্ধেই মামলা তৃণমূল সদস্যের, জবাবে জুটল মার

বোর্ড গঠনে অনিয়মের অভিযোগে দলের বিরুদ্ধেই মামলা তৃণমূল সদস্যের, জবাবে জুটল মার

শাসকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মামলা করায় এবার মারের মুখে পড়লেন শাসকদলেরই কর্মী। বৈসাদৃশ্যমূলক এই ঘটনার সাক্ষী থাকল বলাগড়ের ডুমুরদহ নিত্যানন্দপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত। কিন্তু কেন? নেত্রী যখন দলীয় নেতাদের একজোট হয়ে লড়াই করার বার্তা দিচ্ছেন ঠিক তখনই কেন শাসকের মধ্যে নেতায় নেতায় গন্ডগোল? সূত্রের খবর, ১৫ আসনবিশিষ্ট এই ডুমুরদহ নিত্যানন্দপুর পঞ্চায়েতে এবার ৬ টি তৃনমূল, ৬ টি বিজেপি, ২ টি নির্দল এবং ১ টি আসন বামেরা দখল করে।

জানা যায়, নির্বাচিত সদস্যদের সিংহভাগ সঞ্জীব দাসকে প্রধান করার দাবিও তোলেন। তবে বোর্ড গঠনের দিনেই দলের নির্ধারিত উপপ্রধানের মা অসুস্থ হলে তাঁকে যখন ৫ সদস্য দেখতে যান ঠিক তখনই বিজেপির সমর্থন নিয়ে প্রধান হয়ে যান তৃনমূলের রথীন দাস। আর এইখানেই শাসকদলের আরেক সদস্য মন্টু সরকার অভেযোগ করেন যে, এই পঞ্চায়েতে শপথ গ্রহনে অনিয়ম হয়েছে। যার জেরে তিনি মামলা করে এই প্রক্রিয়াটিকে বাতিল করারও আবেদন জানান।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জানা গেছে, এই মামলা করার পর থেকে মন্টু সরকারকে সেই মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিত বিজেপি কর্মীরা। অবশেষে শনিবার রাতে মন্টুবাবুর বাড়িতে হামলার ঘটনায় নাম জড়াল সেই গেরুয়া শিবিরের নেতা কর্মীদের। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। এদিকে এই প্রসঙ্গে এদিন তৃনমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মন্টু সরকার বলেন, “বিজেপির সমর্থন নিয়ে আমাদের দলের রথীন দাস প্রধান হওয়ার পর থেকেই ও বিজেপির দালালি করছে। আমরা চাই ওকে দল থেকে বহিস্কার করা হোক”।

তবে এই ব্যাপারে এই রথীন দাস কোনো সরকারি প্রতিক্রিয়া দেন নি। অন্যদিকে তৃনমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে হামলার অভিযোগে বিজেপির নাম জড়ানোয়, ঘটনার দায় সম্পূর্নভাবে অস্বীকার করে জেলা বিজেপির যুব সাধারন সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, “বোর্ড গঠন থেকেই তৃনমূলের দুটি গোষ্ঠীর লড়াই চলছে। আমাদের কর্মীদের নামে মিথ্যে দোষ দেওয়া হচ্ছে”। সব মিলিয়ে এবার ফের উত্তপ্ত বলাগড়ের ডুমুরদহ নিত্যানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত।

Top
error: Content is protected !!