এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > জয়ী প্রার্থীদের বায়োডাটা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে তৃণমূল কংগ্রসে

জয়ী প্রার্থীদের বায়োডাটা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে তৃণমূল কংগ্রসে

এ রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্ব শেষ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। তাতে জোড়া ফুল শিবিরেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ পাওয়া গেছে সর্বত্র। জানা গেছে যে, জেলার ২০৭ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভিতর ২০২ টিতে নিরঙ্কুশভাবে জয় হয়েছে শাসকদলের। এছাড়াও ১৮ টি পঞ্চায়েত সমিতিতেও একক সংখ্যা গরিষ্ঠতার হকদার তৃণমূল কংগ্রসই। এবারের কর্মসূচী হল জয়ী প্রার্থীদের বায়োডাটা খতিয়ে দেখে তাঁদেরকে তাঁদের কাজ বুঝিয়ে দেওয়া। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকেও এমনটাই নির্দেশ পাওয়া গেছে। ২০ জুনের ভিতর দ্রুত এই কাজ শেষ করার ছক্ কষেছেন জেলা নেতৃত্বরা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

নেত্রীর নির্দেশের উপর ভিত্তি করেই এই কর্মসূচিকে তাঁর লক্ষ্যে পৌছে দিতে এদিন আলোচনা সভায় বসার সিদ্ধান্ত নিলেন হুগলি জেলার তৃণমূল কংগ্রেস কোর কমিটি। রাজনৈতিক সূত্রের খবর বলছে, এদিনের বৈঠকে সিঙ্গুর,হরিপাল,তারকেশ্বর এবং পুরশুড়া ব্লকের নির্দল প্রার্থী হিসাবে জয়ী সদস্য এবং তাঁদের সাহায্যকারীদের বিরুদ্ধে দাবী তুলবেন কোর কমিটিতে থাকা ওই এলাকার বিধায়ক বা শীর্ষ নেতৃত্বরা। এমনটাই ঠিক করা হয়েছিলো নির্বাচনের আগে। এরসঙ্গে যে এলাকাগুলো বিরোধীদের দখলে আছে,সেখানে প্রতিনিধি দিয়ে কীভাবে আগামী দিনগুলোতে কাজ চালানো যেতে পারে সে ব্যাপরেও ব্লক নেতৃত্বদের পরামর্শ নেওয়া হবে বৈঠকে। এ বিষয়ে স্বীকৃতি দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের হুগলি জেলা সভাপতি তপন দাশগুপ্ত। তিনি জানান যে, পঞ্চায়েত নির্বাচন পরবর্তী রণকৌশল ঠিক করতেই কোর কমিটি বৈঠকে বসবে।

তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, কয়েকটি ব্লকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে মতবিরোধ হলেও হতে পারে। এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা মাথায় রেখেই জেলাস্তর থেকে তৈরি করে পাঠানো বায়োডেটা ভালো করে পর্যবেক্ষণ করবেন রাজ্য নেতৃত্বরা। তারপরই পঞ্চায়েত প্রধান,উপপ্রধান,পঞ্চায়েত সমিতি বা জেলা পরিষদের দায়িত্ব সপে দেওয়া হবে বিজয়ী প্রার্থীদের কাঁধে। তবে নির্বাচিত সদস্যদের মতামত না নিয়ে তাঁদের ওই পদে নিযুক্ত করা হলে সামনের দিনগুলোতে নীচুতলায় আরো ঝামেলা বাড়তে পারে বলেই সংশয় প্রকাশ করছেন ব্লক নেতাদের একাংশ। দাবীতে তাঁরা জানান যে ওই সব বিজয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সমস্যা বেশি ছড়াতো না। কিন্তু এরকম ভাবে পরিকল্পনা করলে কোথায় পঞ্চায়েত পরিচালনা,কোথাও আবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে ব্যাঘাত ঘটতে পারে কাজের। এর পাশাপাশি এটাও মাথায় রাখতে হবে যে লোকসভা ভোটের আর বেশিদিন বাকি নেই। তাই পদাধিকারীরা যাতে মানুষের মন অল্পদিনেই জয় করতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। সেভাবেই কাজ করতে নির্দেশ দেওয়া হবে তাঁদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!