এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > সাংসদদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে তীব্র বিরোধিতার পথে তৃণমূল কংগ্রেস

সাংসদদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে তীব্র বিরোধিতার পথে তৃণমূল কংগ্রেস

গত ৪ বছরে মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার সেভাবে কোনো আয়কর ছাড়ে ব্যবস্থা করেনি বলে অভিযোগ। আর তাই আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেটে খুব আশা ছিল, এবার অন্তত তাঁদের জন্য কিছু করবেন নরেন্দ্র মোদী-অরুন জেটলি। কিন্তু সবাইকে সম্পূর্ণ হতাশ করে অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলি জানিয়ে দেন যে বিগত বছরগুলিতে মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীদের জন্য আয়করে ‘অনেক’ সুরাহা দেওয়া হয়েছে আর তাই এবছর আয়কর অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে। কিন্তু তার সঙ্গে জুড়ে দেন এবার থেকে শিক্ষা সেস ৩% এর জায়গায় ৪% নেওয়া হবে, অর্থাৎ সুরাহা তো কিছু দিলেনই না উল্টে অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে দিলেন সাধারণ মধ্যবিত্তদের উপর।

অন্যদিকে বাজেটে ঘোষণা করা হয়, সাংসদদের বেতন ৫০ হাজার থেকে এক লাখ করার প্রস্তাব দেওয়া হল। এবার থেকে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংসদদের বেতন বাড়ানো হবে, প্রতি পাঁচ বছরে সাংসদদের বেতন বিবেচনা করা হবে। আর অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণার তীব্র বিরোধিতার পথে যাচ্ছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা সুদীপ ব্যানার্জি ও রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনের সঙ্গে কনফারেন্স কলে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি। তাঁর মতে, এমনিতেই যথেষ্ট বেতন পান সাংসদরা। এছাড়াও অধিবেশনে হাজিরার জন্য প্রতিদিন দু-হাজার টাকা, স্ট্যান্ডিং কমিটিতে যোগ দিলে পৃথক ভাতা, যাতায়াতের খরচ, টেলিফোন, অফিস, মোবাইল ইত্যাদি মিলিয়ে অনেক সুযোগ-সুবিধে পান তাঁরা। ফলে, জনগণের ওপর বোঝা চাপিয়ে আরও বেতন বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। ফলে, সংসদে কেন্দ্রীয় সরকার এই সংক্রান্ত বিল আনলে তার তীব্র বিরোধিতা করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আপনার মতামত জানান -
Top