এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > তৃণমূলের বুদ্ধিজীবীরা এখন বিজেপিতে দাবি রাজ্য নেতার

তৃণমূলের বুদ্ধিজীবীরা এখন বিজেপিতে দাবি রাজ্য নেতার

বাম জামানার আবাসন ঘটিয়ে যখন রাজ্য জুড়ে পরিবর্তনের ঝড় উঠেছিল তখন তাতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন রাজ্যের বহু নামজাদা বুদ্ধিজীবী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে প্রকাশ্যে তাঁরা রাস্তায় মিছিলে বা তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজিত বহু সভায় অংশগ্রহণ করে রাজ্যবাসীকে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিতে অনুরোধ করেছিলেন। রাজ্যে ৩৪ বছরের বাম জামানার বাসনে তাই এই বুদ্ধিজীবী মহলের অবদান কম নয়। কিন্তু বিজেপির রাজ্য নেতা সায়ন্তন বসুর দাবি এই বুদ্ধিজীবীদের এক বড় অংশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজ্যে যে পরিবর্তন হয়েছে তাতে ভীষণ ক্ষুব্ধ এবং আবার এই পরিবর্তনের পরিবর্তন করতে তাঁরা এগিয়ে আসছেন বিজেপির সমর্থনে। গতকাল শিলিগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে উত্তরবঙ্গের এই বুদ্ধিজীবী মহলের সঙ্গে গোপনে তিনি বৈঠক করেন বলে দাবি।
পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সায়ন্তন বাবু জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতায় আনতে যাঁরা সঙ্গ দিয়েছিলেন, তাঁরা এখন বিজেপির সঙ্গে আছেন। সময় হলেই তাঁদের প্রকাশ্যে আনা হবে, জানতে পারবেন কারা তাঁরা। শিলিগুড়িতে একটি দলীয় কাজে এসেছিলাম, তার সাথে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সেলের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু এই বৈঠকে তৃণমূলপন্থী অনেক বুদ্ধিজীবীও হাজির হয়েছিলেন। তাঁরা সিপিএমের অপশাসন থেকে মুক্তির জন্য একটা সময়ে তৃণমূলকে সঙ্গ দিয়েছিলেন, এখন বুঝেছেন এই পরিবর্তন তাঁরা চাননি। তাই তৃণমূল সঙ্গ ত্যাগ করে তাঁরা এখন বিজেপির সঙ্গে আসছেন। নতুন বছরের শুরুতেই বুদ্ধিজীবী সেলের একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হবে, সেই সম্মেলনেই বিজেপি প্রকাশ্যে আনবে, তাঁদের সঙ্গে পরিবর্তনপন্থী কোন কোন বুদ্ধিজীবী রয়েছেন। শুধু উত্তরের জেলাগুলিই নয়, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের পরিবর্তনপন্থী বুদ্ধিজীবীমহলের সিংহভাগ এখন আমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজ্যে চপ শিল্প, চায়ের দোকানের শিল্প ছাড়া আর কিছুই দিতে পারবেন না। অবশ্য ইতিমধ্যেই তৃণমূলের নেতা কর্মীরা গ্রামে গ্রামে বোমা শিল্প ও তোলাবাজি শিল্প গড়ে তুলেছেন, আর তাই এই সরকারের পতন অবশ্যম্ভাবী।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!