এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান > তৃণমূলের সন্ত্রাসের হাত থেকে বাঁচতে পার্টি অফিসে গিয়ে আশ্রয় নিতে হচ্ছে বিজেপি সমর্থকদের?বড়সড় অভিযোগ

তৃণমূলের সন্ত্রাসের হাত থেকে বাঁচতে পার্টি অফিসে গিয়ে আশ্রয় নিতে হচ্ছে বিজেপি সমর্থকদের?বড়সড় অভিযোগ

অনেকে বলেন, কোনো ক্ষেত্রে শাসক যখন পরাজিত হয়, তখন তারা ক্রমশ হিংস্র হয়ে ওঠে। আর সাধারণ মানুষের এই প্রবাদ প্রবচন বাস্তবের সাথে ঠিক কতটা মেলে, সেই ব্যাপারে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও বর্তমানে লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের অনেক জায়গাতে ভরাডুবি হলে সেসব জায়গায় সেই শাসকের প্ররোচনাতেই ব্যাপক সন্ত্রাস চলছে বলে এবার অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠা বিজেপি। আর বঙ্গ রাজনীতির এই নতুন ট্র্যাডিশনে এখন হতবাক সকলেই।

বস্তুত, ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শাসকদলের সন্ত্রাসে এতটাই করুন জায়গায় পৌঁছেছে যে, সেই সন্ত্রাসের জেরে ইতিমধ্যেই 300 জনের মত মানুষ বিজেপির পার্টি অফিসে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। জানা গেছে, এবারে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর জয়লাভ এবং বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির ভোট বৃদ্ধি হওয়াতেই তীব্র হতাশা গ্রাস করেছে শাসক দলকে। আর তা থেকেই এখন এই পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিরোধীদের ওপর লাগাতার সন্ত্রাস চালাচ্ছে শাসক দল তৃণমূল বলে অভিযোগ করতে শুরু করেছে বিজেপি।

এদিন এই প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলা বিজেপির নেতা গৌতম ভট্টাচার্য বলেন, “নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই আউসগ্রাম, ভাতার, খণ্ডঘোষ সহ একাধিক জায়গায় আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে। তৃণমূল নেতা মানগোবিন্দ অধিকারীর নেতৃত্বেই এই হামলা চলছে। আর শাসক দল তৃণমূলের সন্ত্রাসে প্রায় 300 জন আমাদের পার্টি অফিসে আশ্রয় নিয়েছেন। অবিলম্বে যদি শাসকদল এই সন্ত্রাস বন্ধ না করে এবং পুলিশ প্রশাসন যদি উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা নিজেদের হাতে আইন তুলে নিতে বাধ্য হব।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিকে একইভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে পুলিশের কাছে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভাতার 32 নম্বর বিজেপির মণ্ডল কমিটির সভাপতি কৃষ্ণদাস সিংহ। কিন্তু যখন বিরোধী দলের পক্ষ থেকে শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে তখন পুলিশ কেনইবা নিষ্ক্রিয়, আর কেনইবা ভোটের পরাজয়ে শাসকদলের এহেন সন্ত্রাসের শিকার হতে হবে সাধারণ মানুষকে?

এদিন এই প্রসঙ্গে ভাতারের তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মন্ডল বলেন, “বিজেপি সমর্থকদের উপর হামলা ও তাদের ঘরছাড়া হয়ে থাকার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।” বিজেপি তৃণমূল সমর্থকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে বলে পাল্টা এদিন অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস ইস্যুতে শাসক বনাম বিরোধীর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে সরগরম পূর্ব বর্ধমান।

Top
error: Content is protected !!