এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূল বিধায়কের তহবিলের টাকায় এলাকার উন্নয়ন করছে না তৃণমূলেরই পৌরসভা! অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম

তৃণমূল বিধায়কের তহবিলের টাকায় এলাকার উন্নয়ন করছে না তৃণমূলেরই পৌরসভা! অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল কিছুটা খারাপ হওয়ার পর যখন উন্নয়নকে পাখির চোখ করে সাধারণ মানুষের কাছে দলের জনপ্রতিনিধিদের বেশি করে পৌঁছানো নির্দেশ দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক তখনই উন্নয়ন ইস্যুতে এবার তৃণমূল বিধায়ক বনাম তৃণমূলের পুরপ্রধানের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল।

জানা গেছে, কিছুদিন আগেই এলাকার উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবিত কাজ পৌরসভা করছে না বলে বিধায়ক নার্গিস বেগম দলের তৎকালীন জেলা পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে একটি চিঠি দেন। আর তারপরই পৌরসভার বদলে সেই কাজ যাতে জেলা প্রশাসন করে, তার জন্য পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতীকেও একটি চিঠি দেন সেই তৃণমূল বিধায়ক।

আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এবার তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। যা নিয়ে বিধায়ক বনাম পুরপ্রধানের মধ্যে তীব্র চাপানউতোরও শুরু হয়েছে‌। কিন্তু কেন এই চাপানউতোর! সূত্রের খবর, তৃণমূল বিধায়ক নার্গিস বেগম নিজের বিধানসভা এলাকার উন্নয়ন প্রকল্পে 2017-18 সালের অর্থবর্ষে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা পড়ে রয়েছে। আর গত আর্থিক বর্ষে সেই টাকার পরিমাণটা প্রায় 34 লাখ 70 হাজারের মতো।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

তবে সম্প্রতি এই ব্যাপারে বলতে গিয়ে বিধায়ক বলেন, “কাজ শেষে শংসাপত্র জমা পড়েনি বলেই সরকারি নথিতে টাকা জমা পড়ে রয়েছে দেখানো হচ্ছে।” কিন্তু এদিন আশ্চর্যজনকভাবে জেলাশাসককে লেখা চিঠিতে বিধায়ক 2017-18 আর্থিক বছরের তিনটি কাজ এখনও পর্যন্ত শেষ হয়নি বলে সেই কাজের জন্য বর্ধমানের মেমারি পুরসভার বদলে জেলা প্রশাসনকে এজেন্সী হিসেবে নিয়োগ করলেন।

আর পুরসভার বদলে জেলা প্রশাসনকে এজেন্সী হিসেবে নিয়োগ করায় তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। যা নিয়ে পাল্টা সরব হয়েছেন মেমারি পৌরসভার পৌরপ্রধান স্বপন বিষয়ী। এদিন তিনি বলেন, “আমি তো কাজ করে যাই। সেখানে কে কি করলেন বা করবেন, তা আমার জানার কথা নয়।” এজেন্সি বদল নিয়ে পৌরপ্রধানের দাবি, কাজের পদ্ধতি বুঝতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থার নো অবজেকসন শংসাপত্র নিতে হবে।

তারপরে কত টাকার কাজ সেটির হিসেব করে টাকা চাইতে হয়। অন্যদিকে এই ব্যাপারে পাল্টা পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিধায়ক নার্গিস বেগম বলেন, “গত বছর 26 জুলাই পুরসভার কাজের অনীহা নিয়ে মন্ত্রী স্তরে একটা চিঠি দিয়েছিলাম। সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়টা আলোচিত হয়‌। এরপরে পুরসভার বদলে জেলা প্রশাসনকে দিয়ে এসব কাজ করার জন্য চিঠি দিয়েছি। উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আটকে রাখার কোনো মানে হয় না।”

সব মিলিয়ে এবার উন্নয়নের কাজ নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক বনাম তৃনমূল পরিচালিত পৌরসভার অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ ঘিরে সরগরম পূর্ব বর্ধমান।

Top
error: Content is protected !!