এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে জনগণের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন তৃণমূল বিধায়ক, জেনে নিন

জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে জনগণের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন তৃণমূল বিধায়ক, জেনে নিন

গত 2011 সালে বাংলায় বাম সরকারকে সরিয়ে অনেক আশা করে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিলেন সাধারন মানুষ। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশতে দেখা যায়নি সেই তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী, বিধায়কের। তবে মানুষকে অপমান করলে যে তার ফল হাতেনাতে পেতে হয়, তা সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনেই টের পেয়েছে তৃণমূল। 42 এ 42 এর স্লোগান তুলে তৃণমূল নেত্রী জোর প্রচার করলেও 22 টি আসনেই আটকে যেতে হয়েছে রাজ্যের শাসক দলকে।

অপরদিকে বিজেপি বাংলা থেকে 18 টির মতো আসন নিজেদের দখলে রেখেছে। আর এই পরিস্থিতিতে জনসংযোগই যে মূল ত্রুটির কারণ, তা বুঝতে পেরে দলের সমস্ত জনপ্রতিনিধিদের “দিদিকে বলো” প্রকল্প করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তোলার নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেইমতো বর্তমানে তৃণমূলের সমস্ত দলীয় পদাধিকারী থেকে জনপ্রতিনিধি, বিধায়কেরা সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে তাদের অভাব-অভিযোগ শুনছেন। কিন্তু এই দিদিকে বলো কর্মসূচিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করার সময় সেই সাধারণ মানুষের ওপরই রীতিমত চোখ গরম করতে দেখা গেল মালদহের ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক নীহার রঞ্জন ঘোষকে। কিন্তু কি কারনে হঠাৎ সাধারণ মানুষের ওপর মেজাজ হারালেন এই তৃণমূল বিধায়ক!

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, এদিন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের বিনোদপুর গ্রামে যান নীহার ঘোষ। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “দিদিকে বলো” কার্ড বিলি করেন তিনি‌। আর এরপরই বিধায়ককে পেয়ে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করেন “আমরা কি শুধু ভোটই দেব! কোনো কাজ পাব না!” আর এরপরই সেই সাধারণ জনতা জনার্দন এর কথা শুনে তাদের উপর মেজাজ হারিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে দেখা যায় নীহার রঞ্জন ঘোষকে।

যেখানে তিনি বলেন, “আচ্ছা গরিব মানুষের ভাত জোগাড় করে দেওয়ার দায়িত্ব আমার কি! আপনার কি অসুবিধা হচ্ছে সেটা বলুন। ওভাবে চিৎকার করে কথা বললে হবে না।” কিন্তু সাধারণ মানুষ যারা ভোট দিয়ে দলীয় বিধায়ককে ক্ষমতায় এনেছেন, তারা যদি সেই বিধায়কের কাছে তাদের অভাব অভিযোগের কথা বলেন, তাদের দুটো কাজের কথা বলেন, তাহলে তা শুনে বিধায়ক এত রেগে যাবেন কেন! তাহলে তিনি কি কারনে ভোটে জিতে ক্ষমতায় বসলেন!

ইতিমধ্যেই নীহার রঞ্জন ঘোষের এহেন আচরণ নিয়ে সরব হতে শুরু করেছে বিরোধী দল বিজেপি। এদিন এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা বিজেপির সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল বলেন, “তৃণমূলের প্রায় সব নেতাই এখন মেজাজ হারিয়ে ফেলছেন। আসলে ভোটের সময় তারা কি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার সব ওনারা ভুলে গিয়েছেন। তিনি কখনও গরীব মানুষের অন্নের সংস্থান করা তার কর্ম নয় বলে অস্বীকার করতে পারেন না। উনি কি রাজ্য সরকারের বাইরের কোনো বিধায়ক!”

সত্যিই তো তাই, একজন জনপ্রতিনিধির কাছে সাধারণ মানুষ তাদের অভাব অভিযোগ জানালে কেন ইংরেজবাজার বিধানসভার বিধায়ক এই ধরনের আচরণ করলেন! তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসংযোগ প্রকল্পের সার্থকতা কোথায়! এখন তা নিয়েই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!