এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কেন দল ছাড়ছে নেতাকর্মীরা, কারণ নিয়ে বড়সড় দাবি তৃণমূলের

কেন দল ছাড়ছে নেতাকর্মীরা, কারণ নিয়ে বড়সড় দাবি তৃণমূলের

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির প্রবল উত্থানের পরই শাসক দল ভেঙে একাধিক কাউন্সিলার এবং বিধায়করা বর্তমানে গেরুয়া শিবিরের নাম লিখিয়েছেন। আর একের পরে এক এই দলবদলে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল।

কিছুদিন আগেই এই ব্যাপারে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তারাই দল ছাড়ছে। কিন্তু অন্য দলে গিয়েও তারা বাচতে পারবে না।” পাশাপাশি দলেকে আরও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির তৈরি করতে যেসব নেতারা কাটমানি খেয়েছেন, তারা সেই টাকা সকলকে ফেরত দিয়ে দিন বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। আর এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে দলবদলের হিড়িক আরও দ্বিগুন মাত্রায় বাড়তে শুরু করলে রবিবার এই নিয়ে মুখ খুলল তৃণমূল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছেন, “তৃণমূল চিরকাল মানুষের পাশে থেকেছে। যারা দল ছাড়ছেন তারা সংখ্যায় অত্যন্ত নগণ্য। এই দলবদলের ফলে কোনো ক্ষতি হবে না। বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে আছে। যারা এখন দলবদল করছেন তারা একদিন বুঝবেন যে তারা কি ভুল করেছেন, সেদিন আর তাদের জন্য তৃণমূলে কোনো জায়গা থাকবে না।”

অন্যদিকে কেন এই দলবদলের হিড়িক তার প্রশ্নের উত্তরও এদিনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। শাসক দলের দাবি, তাদের 99.99 শতাংশ জনপ্রতিনিধি সৎ। দুই একজনকে নিয়ে সমস্যা থাকায় দল দুর্নীতি থেকে সবাইকে দূরে থাকতে বলেছে। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাটমানি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন। যারা দুর্নীতিগ্রস্ত তারা নিজেদের বাঁচাতেই এখন অন্য দলে যোগদান করছেন।”

এদিকে তৃণমূল দূর্নীতি নিয়ে কড়া হতেই সুবিধাবাদীরা দল ছাড়ছে বলে শাসক দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও তা নিয়ে পাল্টা তাদের খোঁচা দিয়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, তৃণমূলে থাকলেই তারা দুর্নীতিগ্রস্ত নয়, আর বিজেপিতে গেলেই তারা দুর্নীতিগ্রস্ত – এ কেমন কথা বলছেন তৃণমূল মহাসচিব! আসলে দলে ভাঙ্গন রুখতেই এখন নানা অজুহাত দেখিয়ে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলছেন তৃণমূল নেতারা বলে দাবি একাংশের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!