এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারির দাবিতে দীর্ঘক্ষন জাতীয় সড়ক অবরোধ

অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারির দাবিতে দীর্ঘক্ষন জাতীয় সড়ক অবরোধ

 

এবার তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে দীর্ঘক্ষন ধরে জাতীয় সড়ক অবরোধ রাখতে দেখা গেল সাধারণ মানুষদের। যে ঘটনায় এখন প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে দুর্গাপুরের 32 নম্বর ওয়ার্ডের পলাশডিহা অঞ্চলে একটি বহুতল আবাসনে নিম্নমানের সামগ্রী এবং শ্রমিক সরবরাহ নিয়ে স্থানীয় আদিবাসীদের সঙ্গে সেখানকার যুবকদের ব্যাপক সংঘর্ষ তৈরি হয়।

অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের একটি গোষ্ঠী আদিবাসীদের সিন্ডিকেট করতে বাধা প্রদান করে বলে দাবি। আর সেই সময়ই প্রবল সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। আর যার ফলে গোটা ঘটনায় আক্রান্ত হন আদিবাসী গাঁওতার যুবনেতা শ্যামল মুর্মু। বর্তমানে শ্যামলবাবু গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এদিকে এরপর থেকেই এলাকায় প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গত বুধবার ফরিদপুর ফারি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধিরা। কিন্তু তাদের বেঁধে দেওয়া 48 ঘণ্টার মধ্যে কোনো দোষী গ্রেপ্তার না হওয়ায় শনিবার প্রবল বিক্ষোভ দেখালেন তারা।

সূত্রের খবর, শনিবার দুপুর থেকে ফরিদপুর পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দুই নম্বর জাতীয় সড়কের আসানসোল যাওয়ার দিকের রাস্তা অবরোধ করে রাখেন আদিবাসীরা। তীর-ধনুক নিয়ে প্রায় তিনশো আদিবাসী রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। আর আদিবাসীদের এই বিক্ষোভের জেরে এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে পুলিশের হস্তক্ষেপে সেই অবরোধ উঠানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফলতা পায়নি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে গাঁওতার রাজ্য সম্পাদক সুনীল সোরেন বলেন, “আমাদের আদিবাসী যুব নেতাকে মারধর সহ এলাকায় সন্ত্রাসের অভিযোগে তৃণমূলের 17 জনের নামে অভিযোগ হল। কিন্তু পুলিশ তাঁদের কিছুই করল না। এমনকি আমাদের এফআইআরের প্রতিলিপি ও দেওয়া হয়নি। পুলিশ শাসকদলের নির্লজ্জের মত কাজ করছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা ফাঁড়ি ঘেরাও করে রাখব।”

কিন্তু শুধুমাত্র শাসক দলের নেতা হওয়ার জন্যই কি সেই তৃণমূল নেতাকে ছাড় দিল পুলিশ! এদিন এই প্রসঙ্গে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি 1 অভিষেক গুপ্তা বলেন, “আমরা ঘটনার তদন্ত করে দেখছি। ইতিমধ্যেই দোষীদের বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে যে কথাই বলা হোক না কেন, যেভাবে এই ঘটনায় আদিবাসীরা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন, তাতে তৃণমূল এখানে অনেকটাই ব্যাকফুটে পড়ে গেল বলে দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। পাশাপাশি আদিবাসী সমাজের পক্ষ থেকে যেভাবে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তোলা হল, তাতে পুলিশ প্রশাসনের ওপর ব্যাপক চাপ পড়ল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!