এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > নেত্রীর সুরে সুর নয়,লোকসভা ভোটে পরাজয় নিয়ে বড়সড় দাবি শুভেন্দুর, জোর শোরগোল রাজ্যে

নেত্রীর সুরে সুর নয়,লোকসভা ভোটে পরাজয় নিয়ে বড়সড় দাবি শুভেন্দুর, জোর শোরগোল রাজ্যে

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার 42 টি লোকসভা আসনের মধ্যে 42 টি লোকসভা আসনই দখল করার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু নেত্রীর সেই স্লোগানকে বাস্তবের মাটিতে সার্থক রূপ দিতে পারেননি দলের নেতাকর্মীরা। উল্টে বিজেপি বাংলা থেকে 18 টি আসন দখল করে প্রধান বিরোধী দল হয়ে বর্তমানে তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে।

আর এই পরিস্থিতিতে সামনের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই দলের সংগঠনকে ঘুরে দাঁড় করানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে সমস্ত জেলায় ভরাডুবি হয়েছে, সেই সমস্ত জেলার সংগঠনেও আমূল পরিবর্তন এনেছেন তিনি। যার মধ্যে অন্যতম বাঁকুড়া জেলা।

কেননা বাঁকুড়া জেলায় এতদিন তৃণমূলের দায়িত্বে যুব তৃনমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকলেও এই জেলার অন্তর্গত দুটি লোকসভা আসনে তৃণমূলের হার হলে সেই ভোটের ফলাফলের পরই অভিষেক বাবুর কাছ থেকে সেই দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে তা শুভেন্দু অধিকারীর উপর দেন তৃণমূল নেত্রী। আর যার পরই বাঁকুড়া জেলায় সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ শুরু করে দেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী।

সেইমত তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জনসংযোগ যাত্রার দ্বিতীয় দিনে শনিবার বিকেলে বাঁকুড়া পাত্রসায়র থেকে হলুদপানির মোড় পর্যন্ত একটি পদযাত্রা করলেন সেই বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী। আর সেইখানেই বক্তব্য রাখতে উঠে তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা বলেন, “রাজনৈতিক হিংসায় কখনও মন্ত্রী বিধায়করা ঘর ছাড়া হননা। গরিব, খেটে খাওয়া মানুষ ঘরছাড়া হন। লোকসভা ভোটে হার হয়েছে ঠিকই, কিন্তু আমরা রাজ্যে এখনও প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। তাই ভেঙে পড়ার কিছু নেই।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর এহেন মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে কিছুটা বিতর্ক। বস্তুত, লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর প্রথম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই হার হার নয়।” পাশাপাশি এই ঘটনায় ইভিএম কারচুপি দিকেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

কিন্তু এবার তারই বিশ্বস্ত সৈনিক শুভেন্দু অধিকারী পরাজয় হয়েছে স্বীকার করে নেওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতেরই বিরুদ্ধে কথা বললেন বলে দাবি করতে শুরু করেছে সমালোচক মহলের একাংশ।সব মিলিয়ে এবার বাঁকুড়ায় গিয়ে একদিকে দলের সংগঠন চাঙ্গা করা, আর অন্যদিকে পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

Top
error: Content is protected !!