এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > পুজোর মধ্যেই শুভেন্দু-গড়ে পিটিয়ে খুন তৃণমূল কর্মী, অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে

পুজোর মধ্যেই শুভেন্দু-গড়ে পিটিয়ে খুন তৃণমূল কর্মী, অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে

মহাষষ্ঠীর দিনে যখন মায়ের বোধনকে কেন্দ্র করে বাঙালির মনে-প্রাণে আনন্দের সঞ্চার সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক তখনই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর রক্তে রঙিন হয়ে উঠল। মায়ের বোধনের দিনই তৃণমূলের এক সক্রিয় কর্মীকে খুন হতে হল। বস্তুত, গত শুক্রবার সকালে কেশপুরের একটা রাস্তাকে কেন্দ্র করে দুই দল তীব্র বচসায় জড়িয়ে পড়ে। আর সেই সময়ই বচসা থেকে তা হাতাহাতিতে রূপান্তরিত হয়। আর আশ্চর্যজনকভাবে সেই সময়ই তৃণমূল কর্মী শেখ মনুয়ার আলিকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

এদিকে মহাষষ্ঠীর দিন এহেন ঘটনার পরই রীতিমত থমথমে হয়ে যায় এলাকা। কেন এইভাবে বাংলা ও বাঙালির প্রাণের উৎসবেও শাসক দলের নেতাকে খুন হতে হল! সেই প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিদ্বজ্জনদের একাংশ। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে একে অপরের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপি।

এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, “নানা অজুহাতে শান্ত কেশপুরকে বিজেপি অশান্ত করতে চাইছে। তারা খুন, সন্ত্রাসের রাজনীতি আমদানি করেছে। মানুষকে পিটিয়ে মারা হচ্ছে। তৃণমূল করার অপরাধেই শেখ মনুয়ার আলিকে খুন করা হয়েছে।” একই অভিযোগ করে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি সঞ্জয় পান। তবে তৃণমূলের করা এই অভিযোগকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে কেশপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সদস্য আশিষ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল মিথ্যা অভিযোগ করছে। রাজনৈতিক কারণ নয়, বিবাদকে কেন্দ্র করেই খুনের ঘটনা ঘটেছে।” রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, যেভাবে মহাষষ্ঠীর দিনেই তৃণমূল নেতাকে খুন হতে হল, তাতে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল আরও বেশি করে উঠতে শুরু করেছে।

কেননা এই খুনের ঘটনার আগে শুক্রবার দুপুরে কেশপুরের পুজো উদ্বোধনে আসছিলেন বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ। ফলে তার পুজো উদ্বোধনে আসার সঙ্গে এই খুনের ঘটনায় বিজেপির নাম জড়িয়ে যাওয়া এবং তৃণমূলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি আরও অনেকটাই চাপে পড়ল মত বিশ্লেষকদের।

আপনার মতামত জানান -
Top