এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূল কর্মী খুনে দলীয় নেতাদের ‘ফাঁসানোর’ অভিযোগে মিছিল করে নতুন মামলায় ‘ফাঁসলেন’ কংগ্রেস নেতারা

তৃণমূল কর্মী খুনে দলীয় নেতাদের ‘ফাঁসানোর’ অভিযোগে মিছিল করে নতুন মামলায় ‘ফাঁসলেন’ কংগ্রেস নেতারা

তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি সহ দলের দুই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় এমনিতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছিল মুর্শিদাবাদ জেলায়। এবার সেই অভিযোগের বিরোধীতা করে রাস্তায় নেমে সমস্যায় পড়লেন বহরমপুরের কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা।

গত বুধবারই বহরমপুর শহরে মিছিল করে থানায় ডেপুটেশন দেন। এরপরই তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় বেআইনি জমায়েত করার কারণে এবং জোর করে থানায় প্রবেশ করা সহ একাধিক ধারায় মামলা রজু করা হয়। তবে পরেরদিনই আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিয়েছেন অভিযুক্তরা। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে লোকসভা ভোটের মুখে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব আরো একবার প্রকাশ্যে এল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র জয়ন্ত দাসের সূত্র থেকে জানা যায়,দিনকয়েক আগে নিয়াল্লিশপাড়ায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের এক নেতা খুন হন। ওই ঘটনায় তৃণমূলের একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলেন মৃতের স্ত্রী। তারপরেও নাকি শুধুমাত্র কংগ্রেসের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি কংগ্রেস নেতা শিলাদিত্য হালদার ও দলের এসসি, এসটি সেলের জেলা সভাপতি হিরু হালদারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়।

এরপরই মেজাজ বিগড়ে যায় স্থানীয় হাতশিবির কর্তাদের। তারপর এদিন ওই ঘটনা নিয়ে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা,পুলিশকে পুলিশের কাজ করতে দেওয়া সহ বিভিন্ন দাবিতে শহরের বিভিন্ন স্থানে মিছিল করেন তাঁরা এবং ডেপুটেশনও জমা দেয়। এবং এই ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচি পুলিশের অনুমতি নিয়ে করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

পুলিশের সম্মতি নিয়েই ছ’জন প্রতিনিধি থানায় ডেপুটেশন দিতে যান। অথচ ১৪ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশ কীভাবে মামলা দেন তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

এদিন মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে দু’জন কংগ্রেস কর্মীকে বিনা কারণে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে বিনা কারণে ধরেও নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর আবার মুচলেকা নিয়ে ছেড়েও দেওয়া হয়। ওই কংগ্রেস কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরেই সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসাবে হাসপাতালে রোগীদের সহায়তার কাজ করছিলেন বলেই জানা গিয়েছে। কাজেই ওই ঘটনার সত্যতা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে তাঁদের। আর সেজন্যে এর বিরুদ্ধে থানা অভিযানে নামার কথা ভাবা হচ্ছে।

এভাবে লোকসভা ভোটের আগে মিথ্যা কেস দিয়ে কংগ্রেসের শক্তিঘাঁটিতে কংগ্রেস কর্মীদের দমানো যাবে না বলেই জানালেন জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মহফুজ আলম। তবে আইনভঙ্গ করার অভিযোগে ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!