এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিতর্ক থামাতে অবশেষে নিজের পাশেই দাপুটে নেতাকে জায়গা করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী

বিতর্ক থামাতে অবশেষে নিজের পাশেই দাপুটে নেতাকে জায়গা করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী

 

প্রথম থেকে আশঙ্কা ছিল, তিনি মঞ্চে বসবেন, নাকি নিচে বসতে হবে তাঁকে! তবে সেই আশঙ্কাকে দূরীভূত করে অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের একদম পাশের আসনে বসলেন মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মন্ডল। কিন্তু হঠাৎ এহেন প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল কেন! কেন এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিচেও বসতে পারেন! বস্তুত, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মিনি মহাকরন নিয়ে জেলায় জেলায় পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেইমতো মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মালদহ কলেজ অডিটোরিয়ামের দুর্গাকিংকর সদনে প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা ছিল তাঁর। তবে প্রথা অনুযায়ী এই বৈঠকের আগেই কলকাতা থেকেই তালিকা চলে আসে যে, মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চে জেলা থেকে ঠিক কারা কারা বসার আসন পাবেন! আর সেই তালিকায় আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায়, মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মন্ডলের মঞ্চে বসা তালিকায় নাম নেই। যার ফলে তাকে নিজেই বুঝতে হবে আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই মালদহ জেলা রাজনীতিতে প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

অনেকেই দাবি করতে থাকেন, প্রোটোকল অনুযায়ী জেলা পরিষদের সভাধিপতির মঞ্চেই থাকার কথা। সেক্ষেত্রে কেন কলকাতা থেকে এরূপ তালিকা এল! তাহলে কি এর পেছনে রাজনৈতিক কোনো গন্ধ রয়েছে! আর নানা মহলে যখন এই ব্যাপারে নানা প্রশ্ন দেখা দিতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই অবশেষে নিজেই বিতর্ক কমিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, এদিন মালদহের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশের আসনেই বসতে দেখা যায় জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মন্ডলকে। যা দেখে অনেকেই বলছেন, আসলে বিতর্ককে কমিয়ে দিতেই শেষ মুহূর্তে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেননা জেলা পরিষদের সভাধিপতি যদি মঞ্চে না থাকতেন, তাহলে নানা মহলের তরফে নানা প্রশ্ন তোলা হত। তাই মুখ্যমন্ত্রীর একদম পাশেই তাকে জায়গা দিয়ে সেই বিতর্ককে একদম কমিয়ে দিতে চাইলেন প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা বলে মত একাংশের। এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরবাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “বৈঠকে আমাকে যেখানে বসতে দেওয়া হয়েছে, আমি সেখানেই বসেছি। এর থেকে বেশি কিছু বলব না।” সব মিলিয়ে শুরুতে নানা বিতর্ক চললেও শেষ মুহূর্তের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর পাশেই বসে দেখা গেল মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!