এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > নিজের কলেজেই বিক্ষোভের মুখে কেন পড়লেন অধ্যক্ষকে চিঠি তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতার

নিজের কলেজেই বিক্ষোভের মুখে কেন পড়লেন অধ্যক্ষকে চিঠি তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতার

এনআরএসে চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের উপর হামলা এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের লাগাতার কর্মবিরতিতে কিছুদিন আগেই উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজ্য। যার জেরে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন প্রত্যাহার করার জন্য ময়দানে নামতে দেখা গিয়েছিল আইএমএর সভাপতি তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনকে।

জানা যায়, এনআরএস হাসপাতালে বৈঠক করার সময় সিপিএম পন্থী ডাক্তার সংগঠনের এক চিকিৎসককে সেখানে দেখতে পেয়েই সেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে আসেন তৃনমূলের এই চিকিৎসক নেতা। এমনকি বাইরে বেরিয়ে এসে আগুনে ঘৃতাহুতি দেওয়ার মত বৈঠকে অনেকে বহিরাগত উপস্থিত রয়েছে বলে জানিয়ে দেন তিনি। আর এরপরই ক্রমশ উত্তেজনা ছড়ায়। বহিরাগত তকমা দেওয়ার জন্য এনআরএসের পাশাপাশি আরজিকরে গেলে সেই সান্তনু সেনকে ঘিরে প্রবল বিক্ষোভ দেখানো হয়।

শুধু তাই নয়, তার গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে “সেম, সেম” এবং “গো ব্যাক” স্লোগানও দিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। আর এরপরই তাকে ঘিরে এইভাবে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অধ্যক্ষকে চিঠি দিলেন সেই শান্তনু সেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এই চিঠিতে তিনি জানতে চেয়েছেন যে, তার নিজের কলেজে কেন তাকে এই ভাবেই সেম সেম এবং গো ব্যাক স্লোগান শুনতে হল! আর যাতে এই গোটা বিষয়টি অধ্যক্ষ দেখেন, তার জন্যে তিনি সেই চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছেন। আর অধ্যক্ষকে শান্তনু সেনের এই চিঠি দেওয়ার পেছনে এবার একাংশ মনে করছেন, তাহলে কি এরাজ্যে প্রতিবাদ করাও যাবে না!

সেই প্রতিবাদ করলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে! যদিও বা এই ব্যাপারে সেই শান্তনু সেন বলেন, “কোথাও হয়তো একটু ভুল বোঝাবোঝি হয়েছিল। তাই জুনিয়ররা কেউ কেউ এরকম করেছেন। আমি কলেজে পড়াশোনা করেছি। এখানকার ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। আমার তো খারাপ লাগবেই। তাই এই চিঠি দিয়েছি।” অন্যদিকে এই গোটা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আরজিকরের অধ্যক্ষ ডাঃ শুদ্ধধন বটব্যাল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!