এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পদ পাইয়ে দেওয়ার “টোপ” দিয়ে টাকা হাতিয়েছেন নেতা! তৃণমূল কর্মীর অভিযোগ সোজা কালীঘাটে

পদ পাইয়ে দেওয়ার “টোপ” দিয়ে টাকা হাতিয়েছেন নেতা! তৃণমূল কর্মীর অভিযোগ সোজা কালীঘাটে

ক্ষমতায় আসবার পরই তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে বলে বিভিন্ন মহলের তরফে অভিযোগ শোনা যেত। এমনকি বিরোধীদের তরফেও এই ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছিল। আর দুর্নীতি চরম জায়গায় পৌঁছে যাওয়ার কারণেই যে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফলাফল করেনি, তা ফলাফল পর্যালোচনা বৈঠকে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। যার পড়ে সেই দুর্নীতি রোধে দলকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু তারপরও তৃণমূলের দলীয় স্তরে যে দুর্নীতি কমেনি, তা স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠল। সূত্রের খবর, মালদহের হবিবপুর ব্লকের ঋষিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লোনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বাবলু মন্ডল সেই হবিবপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি প্রভাস ওরফে বট চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। যেখানে বাবলুবাবু জানিয়েছেন যে, তাকে দলের পদ দেওয়ার জন্য সেই বট চৌধুরী তার কাছ থেকে দু লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন।

আর এরপরই সেই হবিবপুর ব্লক তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতির বিরুদ্ধে সরাসরি কালীঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে গিয়ে অভিযোগ জানিয়ে এসেছিলেন সেই বাবলু মন্ডল। তবে তারপরও এই ব্যাপারে সেইভাবে কোনো সুরাহা না মেলায় সম্প্রতি পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হতেও দেখা গেছে তাকে। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিন এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কর্মী বাবলু মন্ডল বলেন, “গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আমাকে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি করার লোভ দেখিয়ে বট চৌধুরী নামে ওই নেতা আমার কাছ থেকে দু লক্ষ টাকা চায়। কিন্তু মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় আমি যখন তার কাছে টাকা ফেরত চাই, তখন আমাকে একা পেয়ে বাজারে মারধর করা হয়। আমি এই ঘটনায় দিদির বাড়িতে অভিযোগ করেছি। এমনকি পুলিশ সুপারের কাছেও জানিয়েছি।”

পাশাপাশি এই ঘটনায় মালদহ জেলা পরিষদের সভাপতি গৌড় মন্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে দাবি সেই অভিযোগকারী বাবলুবাবুর। কিন্তু যেখানে তৃণমূলকে সাধারণ মানুষের দল বলে দাবি করেন তৃণমূলের নেতারা, সেখানে সেই দলেও পদ পেতে হলে এইভাবে টাকার রফা হয়! কেন পদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তিনি টাকা নিলেন!

এদিন এই প্রসঙ্গে সেই অভিযুক্ত বট চৌধুরীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “বাবলু মন্ডল পাগল। ওই ব্যক্তি বিজেপির সঙ্গে জড়িত। তাই মিথ্যা কুৎসা করছে।” সব মিলিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি যতই ঘটনাটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন না কেন, যেভাবে এক তৃণমূল কর্মী তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে পদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন, তাতে মালদহ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব যে বেজায় অস্বস্তিতে, সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত প্রায় প্রত্যেকেই।

Top
error: Content is protected !!