এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > স্বয়ং তৃনমূল নেত্রীর আশীর্বাদ ধন্য চিকিৎসক নেতার হুমকি, জোর সোরগোল রাজ্যে

স্বয়ং তৃনমূল নেত্রীর আশীর্বাদ ধন্য চিকিৎসক নেতার হুমকি, জোর সোরগোল রাজ্যে

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে রাজনীতির বাইরে নিয়ে গিয়ে সঠিক পরিষেবা দিয়ে উন্নতিকরণের কথা বলেছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তার সেই বার্তা যে এখনও পর্যন্ত নিচুতলায় পৌঁছয়নি, তা ফের স্পষ্ট হয়ে গেল।

জানা গেছে, স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ ধন্য এক চিকিৎসক নেতার হুমকির জেরে ইতিমধ্যেই এক এক করে চিকিৎসক তাদের কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।অভিযোগ, জলপাইগুড়ি হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসকদের এক চিকিৎসক সব সময় ধমকে, চমকে রাখছেন।

যার ফলে এখনও পর্যন্ত সেখানে 16 জন চিকিৎসক তাদের চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন। আর এতেই জটিল হয়েছে পরিস্থিতি। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে তৃণমূলের ওই চিকিৎসক নেতার বিরুদ্ধে সরব হয়ে জলপাইগুড়ি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিন এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি শ্যাম প্রসাদ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদধন্য এক চিকিৎসক নেতা সবাইকে চমকে রাখছেন। যার জেরে অনেক চিকিৎসক চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। হাসপাতালের পরিষেবা ভেঙে পড়েছে। অবিলম্বে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে বিজেপির পক্ষ থেকে লাগাতার বিক্ষোভ আন্দোলন চলবে।” তবে এই গোটা ব্যাপারটিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জগন্নাথ সরকার।

এদিন তিনি বলেন, “যেসব চিকিৎসকরা কাজ ছেড়েছেন তারা বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে কাজ ছেড়েছেন। কোনো হুমকির ফলে তারা কাজ ছাড়েননি।” কিন্তু তাহলে কি বিজেপির পক্ষ থেকে বা অন্যান্য চিকিৎসকরা যেভাবে কাজ ছেড়ে দিচ্ছেন, সেই অভিযোগ মিথ্যা! ঘটনার মধ্যে যদি বিন্দুমাত্র সত্যতাই না থাকে, তাহলে তারা বৃথাই এই অভিযোগ তুলতে যাবেন কেন! এবার তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

অনেকে বলছেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শিকেয় তুলে দিয়ে এখন নিজেদের পিঠ বাঁচাতেই সরকারের পক্ষ থেকে এহেন বক্তব্য পরিবেশন করা হচ্ছে। তবে যে যাই বলুন না কেন, যেভাবে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রীর আশীর্বাদধন্য এক চিকিৎসক নেতার হুমকির জেরে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা কাজ ছাড়তে শুরু করেছেন বলে অভিযোগ আসছে, তাতে শাসকদলের অস্বস্তি যে ক্রমশ বাড়বে, সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত প্রায় প্রত্যেকেই।

Top
error: Content is protected !!