এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > চোলাই তৈরীর উপকরণ উদ্ধার হল তৃণমূল নেতার দোকান থেকে, জোর শোরগোল

চোলাই তৈরীর উপকরণ উদ্ধার হল তৃণমূল নেতার দোকান থেকে, জোর শোরগোল

দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি যখন সাধারন মানুষের সামনে উপস্থাপিত করতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক তখনই নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রচুর পরিমাণে চিটেগুড় মজুতের পাশাপাশি চোলাই তৈরির উপকরণ উদ্ধার হল তৃণমূল নেতার দোকান থেকে। যে ঘটনায় এখন চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতি এলাকায়।

জানা যায়, এই পঞ্চায়েত সমিতির জনসাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ গৌতম সাহুর দোকানে মঙ্গলবার আবগারি দফতরের পক্ষ থেকে হানা দেওয়া হয়। আর সেখানেই বিপুল পরিমাণে চিটেগুড় এবং চোলাই তৈরীর জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিক নজরে আসে দফতরের কর্তাদের। এদিন সকাল 10 টা থেকে সন্ধ্যা 7 টা পর্যন্ত আবগারি দপ্তরের চন্ডিপুর রেঞ্জের আধিকারিকের নেতৃত্বে এই তল্লাশি অভিযান সংগঠিত হয়।

এদিকে যখন আবগারি দফতরের কর্তারা এই দোকানে হানা দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত ছিলেন সেই দোকানের মালিক তথা নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির জনসাস্থ কর্মাধ্যক্ষ গৌতম সাহু। চোলাই তৈরির উপাদান কেন তার দোকানে রয়েছে, তা নিয়ে প্রবল চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে আবগারি দপ্তরের আধিকারিক সৈয়দ মালেকুজ্জামান বলেন, “বেশ কিছুদিন ধরেই এই ব্যাপারে সন্দেহ করা হচ্ছিল। নিয়ম বহির্ভূতভাবে রাখা চিটেগুড় মজুত এবং অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে, এইসব সামগ্রী সে চোলাই ব্যবসায়ীদের সরবরাহ করত। পলাতক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে এই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে শুরু করেছে বিজেপি। এদিন এই প্রসঙ্গে তমলুক জেলা বিজেপির সভাপতি নবারুণ নায়েক বলেন, “তৃণমূল নেতারা যে চোলাই তৈরির সাথে যুক্ত এবং এইসব বেআইনি ব্যবসা করেন, তা আবগারি দপ্তরের অভিযানে ধরা পড়েছে।” তবে এই ব্যাপারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে ফোন করলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

কিন্তু এই প্রসঙ্গে নন্দকুমারের তৃণমূল বিধায়ক তথা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুকুমার দে বলেন, “গৌতম সাহুর গুড়ের পৈতৃক ব্যবসা রয়েছে। আবগারি দপ্তর অভিযান চালিয়ে দোকান থেকে কি পেয়েছে জানি না। তবে এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই।” সব মিলিয়ে দলকে যখন স্বচ্ছ ভাবধারায় এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী, ঠিক তখনই তৃণমূল নেতার দোকান থেকে চোলাই তৈরীর উপকরণ পাওয়ায় প্রবল অস্বস্তিতে শাসক দল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!