এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > করোনা নিয়ে কেন্দ্রের সর্বদলীয় বৈঠকের থাকবে না তৃণমূল! মহামারীতেও রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন!

করোনা নিয়ে কেন্দ্রের সর্বদলীয় বৈঠকের থাকবে না তৃণমূল! মহামারীতেও রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন!


ভারতবর্ষে বর্তমানে প্রবল সংকট চলছে। করোনা মহামারী রীতিমতো আতঙ্কে ফেলে দিয়েছে সকলকে। কি করে এই পরিস্থিতি থেকে বেরোনো যাবে, তা জানেন না কেউই। যত দিন যাচ্ছে, ততই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে গোটা দেশ লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রেখে শাসক-বিরোধী সকলকে একসাথে দেখা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছিল গোটা দেশ।

বেশ কিছুদিন আগে বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো উপস্থিত হয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার কেন্দ্রের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকলেও, সেখানে তাদের কেউ উপস্থিত থাকবেন না বলে জানিয়ে দেওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের শাসকদলের উদ্দেশ্য নিয়ে উঠল প্রশ্ন।

প্রসঙ্গত, শনিবার কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী সংশ্লিষ্ট দলের সংসদীয় নেতা ছাড়া আরও পাঁচজন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠকে যোগ দিতে পারেন বলে জানিয়েছিলেন। আর তখনই আশা করা হয়েছিল যে, এখন অন্তত রাজনীতি ভুলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকে উপস্থিত হবে সমস্ত রাজনৈতিক দল।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু যেভাবে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন এই ব্যাপারে তাদের বিদ্রোহের কথা জানিয়ে দিয়েছেন, তাতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠত শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। কেন্দ্রীয় সরকারের অন্য কোনো ইস্যুর পরিপ্রেক্ষিতে যদি তৃণমূল কোনো বৈঠকে উপস্থিত না হত, তাহলে তা অন্য ব্যাপার ছিল।

কিন্তু দেশের মহামারী নিয়ে যখন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক ডাকছেন, তখন কেন সেখানে উপস্থিত হবেন না তারা? এদিন এই ব্যাপারে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন রাজ্য বিজেপির এক মুখপাত্র। তিনি বলেন, “বাংলায় যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বদলীয় বৈঠক ডাকলেন, আমরা কিন্তু গিয়েছিলাম। কারণ আমরা মনে করি তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য অনেক সময় পড়ে রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “এখন সেটা করার সময় নয়। কিন্তু তৃণমূল তো রাজনীতি ছাড়া এক পাও চলতে পারে না। দেশের মানুষ, রাজ্যের মানুষ দেখুক তৃণমূলের চরিত্রটা কি!” বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, তৃণমূল যদি প্রধানমন্ত্রীর ডাকা এই সর্বদলীয় বৈঠকে না যায়, তাহলে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।

শুধু তাই নয়, যখন মহামারীতে সকলকে এক হতে বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেখানে কেন সারা দেশের স্বার্থে তার দল রাজনৈতিক রং ভুলে নরেন্দ্র মোদির ডাকা বৈঠকে উপস্থিত হলেন না? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে দেখা যাবে নানা মহলকে। এখন শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বিরোধকে ভুলে দেশের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় বৈঠকে তৃণমূল উপস্থিত হয় কিনা, তার দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!