এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > এবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটানোর দায়িত্বও টিম পিকের ঘাড়ে!

এবার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটানোর দায়িত্বও টিম পিকের ঘাড়ে!

 

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পেছনে যেমন দুর্নীতি রয়েছে, ঠিক তেমনই দলের গোষ্ঠী কোন্দলও দায়ী বলে মনে করেন একাংশ। আর উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাওয়ার ঘটনা খুব একটা ভালো ভাবে মেনে নিতে পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার পরেই দলীয় সংগঠন চাঙ্গা করতে প্রশান্ত কিশোরের মত রণনীতিকারকে নিয়োগ করেন তিনি।

ইতিমধ্যেই সেই প্রশান্ত কিশোরের টিম তৃণমূলকে সঠিক দিকে নিয়ে যেতে কাজ শুরু করে দিয়েছে। দিদিকে বলো কর্মসূচির পাশাপাশি নানা জনসংযোগ মূলক কর্মসূচী দিয়ে তৃণমূল বিধায়কদের মাঠে নামানো হয়েছে। কিন্তু শুধু জনসংযোগমূলক কর্মসূচি নয়, দলে শৃঙ্খলা আনা যে অত্যন্ত জরুরি, তা বুঝতে পেরেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আর তাই গোষ্ঠী কোন্দল রুখতে মাঠে নামতে হচ্ছে সেই প্রশান্ত কিশোরের টিমকে।

প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ফলাফল খারাপ হওয়ার পরই বিভিন্ন জেলার সংগঠনে পরিবর্তন আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে জলপাইগুড়ি জেলাতেও আমূল পরিবর্তন করেন তিনি। জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদে বসানো হয় কিষান কল্যানীকে। আর জেলা সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পরই কিষাণ কুমার কল্যাণী জেলার সমস্ত ব্লক কমিটি ভেঙে দেওয়ার মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ মুখকেই যাতে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেই ব্যাপারে নির্দেশ দেন তিনি। যা নিয়ে জেলা তৃণমূলের অন্দরে শোরগোল পড়ে যায়। বর্তমান বুথস্তরে অনেককে ছাঁটাই করে নতুন মুখ নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে দলের তরফে অনেকেই জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতেও শুরু করেছেন। আর এই পরিস্থিতিতে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে এবং দলের গোষ্ঠী কোন্দল কমাতে জলপাইগুড়িতে আসতে চলেছে প্রশান্ত কিশোরের টিম।

জানা গেছে, এই টিম জেলায় আসার আগেই বুথ সভাপতি সহ সহ সভাপতির নাম কলকাতায় পাঠিয়ে দিচ্ছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু জেলায় এসে কি করবে প্রশান্ত কিশোরের এই টিম! তাদের কাজ ঠিক কি হবে! অনেকে বলছেন, কোন্দল মেটাতেই জলপাইগুড়ি জেলাতে আসছে পিকের টিম।

এদিন এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি কিষান কল্যাণী বলেনি, “আমাদের জেলার বেশকিছু বিধানসভায় একটি বুথে একাধিক বুথ সভাপতির নাম জমা পড়েছে। বিধায়ক, ব্লক নেতৃত্ব নিজেদের মত করে পৃথক পৃথক তালিকা দিয়েছেন। সমস্ত তালিকা রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কলকাতা থেকে প্রতিনিধিরা চলতি মাসেই জেলায় আসছেন। তারা এই সমস্ত বিষয়গুলো মিটিংয়ে দেবেন।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেভাবে জলপাইগুড়ি জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল শুরু হয়েছে, তাতে সামনের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয় অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। আর তাইতো সংগঠনকে চাঙ্গা করতে এবং কোন্দল কমাতে জলপাইগুড়ি জেলায় প্রশান্ত কিশোরের টিমের এই আগমন বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!