এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যাপক উত্তেজনা হুগলিতে, ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল নার্সিংহোম, দোকান

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যাপক উত্তেজনা হুগলিতে, ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল নার্সিংহোম, দোকান

দীপাবলির মরশুমেও হিংসার নজির রাজ্যে। ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। এবার ঘটনাস্থল জাঙ্গিপাড়ার কোতলপুর এলাকা। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে ব্যাপকভাবে ভাঙচুর চালানো হয় একটি হার্ডওয়্যারের দোকান এবং একটি নার্সিং হোমে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী হাফিজুল রহমান মিদ্যা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শাসকদলের জেলা পরিষদের সদস্য শেখ আব্দুল জব্বারের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পুলিশি সক্রিয়তায় গ্রেফতার হয়েছে দুজন। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই আলোর উৎসবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। ব্যাপক শোরগোল রাজনৈতিকমহলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, বাহানা গ্রামের জেলা পরিষদের সদস্য শেখ আব্দুল জব্বারের অনুগামীরা হাফিজুল রহমান মিদ্যার হার্ডওয়্যারের দোকানে হানা দেয় এদিন। হাফিজুল সাহেব বাধা দিতে গেলে তাঁর উপরে চড়াও হয় দুষ্কৃতিরা। তাকে মারধোর করার পাশাপাশি তাঁর দোকানেও তান্ডব চালায় তারা। ভাঙচুর চালানো হয় দোকানে। পাশাপাশি বিরোধী গোষ্ঠীর প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শেখ মৈনুদ্দিন ওরফে বুদোর নার্সিংহোমে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা।

হেনস্থার শিকার ব্যবসায়ী হাফিজুল রহমান মিদ্যা লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন রাতে দোকান বন্ধ করার সময় খোকা, সাবির, লাল, উজির, আইজলেরা দোকানে হামলা করে। অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালজ করতে থাকে। প্রতিবাদ করতে গেলে চড়াও হয় তাঁর উপর। মারধোরের পাশাপাশি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়।

অন্যদিকে,প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সেখ মৈনুদ্দিন ওরফে বুদো অভিযোগে জানান,জেলা পরিষদের সদস্য শেখ আব্দুল জব্বারের সাঙ্গপাঙ্গরা তাঁর নার্সিং হোমে ভাঙচুর চালায়। শুধু তাই নয়,তাকে শাসানিও দেওয়া হয়। এই অভিযোগের পর শেখ আব্দুল জব্বারের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোন পাওয়া যায়নি।

তৃণমূল সূত্রের খবর, জাঙ্গিপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি শেখ মৈনুদ্দিন ওরফে বুদোকে এবার সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে তাঁর স্থানে তমাল চন্দকে আনা হয়। ক্ষমতায় থাকাকালীন দলের বিরোধীদের কোনঠাসা করে রেখেছিলেন বুদো। নিজের অনুগামীদের নিয়ে দেদার তোলাবাজি সহ একাধিক দুর্নীতিমূলক কাজ করতে থাকে বুদো,এমনটাই অভিযোগে জানিয়েছে নীচু তলার কর্মীরা।

এই অভিযোগের পরই শীর্ষ নেতৃত্বকে ক্ষমতা থেকে সরায় দল। পাশাপাশি, তার বিরোধী গোষ্ঠীর সদস্যদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বেশি টিকিট দেওয়ার সঙ্গে পঞ্চায়েত প্রধান ও পঞ্চায়েত সমিতির দায়িত্বেও আনা হয়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এবার ক্ষমতা হাতে পেয়ে বুদো বিরোধী শিবির এলাকায় নিজেদের দাপট দেখাতে এই কাজ করেছে তারা। তবে এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল বা রাজনীতি সমস্ত যোগসূত্র অস্বীকার করলেন স্থানীয় বিধায়ক স্নেহাসিস চক্রবর্তী। গ্রাম্য বিবাদের ফলে এটি হয়েছে বলে দাবী তাঁর। তবে পুলিশি তদন্তের সূত্র ধরে এই ঘটনার জট উদ্ধার হবেই মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!