এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রভাব কি লোকসভা ভোটে পড়বে?

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রভাব কি লোকসভা ভোটে পড়বে?

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের 42 টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে 42 টি লোকসভা কেন্দ্রই যাতে দখল করা যায় তার জন্য প্রায় সমস্ত জেলার নেতৃত্বকেই নির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু শাসক দলের এই 42 এ 42 করার ফর্মুলাকে অনেক জেলাতেই আটকে দিতে পারেন তৃণমূলের অনেক নেতাই বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

যার কারণ হিসেবে অনেকে বলছেন বর্তমানে রাজ্যের একাধিক জেলায় তৃণমূলের নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জেলায় দুই নেতার দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। আর ভোটের সময় সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায়।

কেননা অনেক জেলার অনেক নেতাই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলের হয়ে টিকিট পাওয়ার আশা দেখলেও শেষ পর্যন্ত কোথাও বিদায়ী সাংসদ আবার কোথাও বা নতুন মুখ এনে সেখানে প্রার্থী করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেক্ষেত্রে সেই নতুন প্রার্থীর ওপর অনেকটাই ক্ষিপ্ত হতে দেখা গেছে টিকিট না পাওয়া নেতাদের। জেলা থেকে জেলার স্তরে শুরু হয়েছে তৃণমূলের প্রবল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

তবে লোকসভা নির্বাচনের কারণে এবং দলনেত্রীর কড়া হুইপ থাকার জেরে সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে না এলেও তলায় তলায় অনেক জেলাতেই তৃণমূলের নেতারাই দলের তল কাটছেন বলে আশঙ্কায় রয়েছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এক্ষেত্রে হুগলি, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার আলিপুরদুয়ার সহ একাধিক জেলার নাম উঠে আসতে শুরু করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তৃণমূলের প্রথম দিন থেকে থাকা জেলার নেতারা এবারের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট পাওয়ার আশা করেছিলেন। সেক্ষেত্রে তারা টিকিট না পাওয়ায় সেই নেতা এবং তার অনুগামীরা দলের বিপক্ষে ভোটবাক্সে সমর্থন দিতে পারেন। আর তৃণমূলের নেতার মুখ থেকেই যদি সাধারন মানুষ দলীয় প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার বার্তা শুনতে পায়, তাহলে তো বিরোধীরা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে। আর এখানেই দলীয় নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পক্ষে বড় কাটা হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

তবে তৃনমূল অবশ্য এই সমস্ত দাবি মানতে নারাজ। তাদের মতে, এই নির্বাচন দেশের নীতি নির্ধারণের নির্বাচন। মানুষ সাম্প্রদায়িক বিজেপিকে সরিয়ে এবার তৃণমূলকেই ভোট দেবেন। আর সমস্ত জেলার নেতারা ইতিমধ্যে জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন। তাই দলের তল কাটবার কোনো প্রশ্নই নেই। তবে শেষ পর্যন্ত জেলার তৃণমূল নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটব্যাংকে কোনো প্রভাব পড়ে কিনা তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে আগামী 23 মে পর্যন্ত।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!