এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বে ভেঙে গেল পুরবোর্ড, আগামী ৬ মাসের মধ্যেই পুনর্নির্বাচন? জল্পনা তুঙ্গে

তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বে ভেঙে গেল পুরবোর্ড, আগামী ৬ মাসের মধ্যেই পুনর্নির্বাচন? জল্পনা তুঙ্গে

কিছুতেই রক্ষা করা গেল না তৃনমূল কংগ্রেস পরিচালিত চন্দননগর পুরবোর্ড। সূত্রের খবর, আজ থেকে যতদিন না পর্যন্ত নির্বাচন বা কোনো নতুন নির্দেশিকা জারি হচ্ছে ততদিন এই পৌরসভা পরিচালনার দ্বায়িত্বে থাকবেন কমিশনার স্বপন কুণ্ডু।  এদিকে এই পুর কমিশনারের হাতে পুরসভা পরিচালনার দ্বায়িত্ব যাওয়ায় খুশি এলাকাবাসীরাও।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই এই পুরসভার কাউন্সিলারদের গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে পুর পরিষেবা, রাস্তাঘাট সংস্কার, পানীয় জলের সঙ্কট সহ সাধারণ পরিষেবা পাওয়া থেকে মানুষ বঞ্চিত হচ্ছিল। তাই সেই জায়গায় পুর কমিশনার বসলে সেই বিষয়গুলির দিকে নজর দেবেন বলে আসা পুরবাসীর। তবে এবিষয়ে বাসিন্দারা খুশি হলেও মেয়রের সারিশের ভিত্তিতে এই বোর্ড ভেঙে যাওয়ায় পদযুক্ত কাউন্সিলরদের অনেকেই সেই মেয়রের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

কাউন্সিলরদের একাংশের দাবি, চেয়ারম্যানের একটা হঠকারী সিদ্ধান্তের জন্যই সমস্ত কাউন্সিলারদের পদ হারাতে হল। তবে এই বোর্ড ভেঙে যাওয়ায় হতাশ চন্দননগর পুরসভার চেয়ারম্যান জয়ন্ত দাসও। এদিন তিনি বলেন,” দল যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা তো মানতে হবে। তবে এমনটা না হলেই ভাল হত।”

সূত্রের খবর, গত বছর এই চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর জন্য রাস্তা মেরামতিতে পুরসভা তিন কোটি টাকা পেলেও মোটে কয়েকটি রাস্তা সংস্কার হয়েছে। বাকি পুরশ্রী, খলিসানি, হালদারবাগান, রথের সড়ক, বারাসত,হলদেডাঙা, কলুপুকুর সহ বেশ কয়েকটি রাস্তায় এখনও বড় খানাখন্দ রয়েছে। যার জেরে ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসীরাও।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন এই প্রসঙ্গে কুলপুকুরের দীনেশ পান বলেন, “এই রাস্তাটি চন্দননগর উড়ালপুলের সংযোগকারী। কাউন্সিলরদের বললেও নিজেদের দ্বন্দ্বে ওদের সেই কথা কানেই যায়নি। তাই আমরা আশা রাখি যে নতুন কমিশনার এসে এই উন্নয়নের কাজ করবেন।” সব মিলিয়ে যাঁদের জন্য এই পুরসভা সেই চন্দননগরবাসী এই  পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ায় বেজায় খুশি। তাঁদের মতে,  গোষ্টীদ্বন্দ্বের জেরে ব্যাহত উন্নয়নে পুর কমিশনারের হাতে এবার দ্বায়িত্ব আসায় হয়ত শুরু হবে উন্নয়নের কাজ।

আপনার মতামত জানান -
Top