এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দিদিকে বলো কর্মসূচিতে গিয়ে বড়সড় বিপাকে হেভিওয়েট বিধায়ক, তৃণমূলের অস্বস্তি চরমে!

দিদিকে বলো কর্মসূচিতে গিয়ে বড়সড় বিপাকে হেভিওয়েট বিধায়ক, তৃণমূলের অস্বস্তি চরমে!


 

লোকসভা নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের আরও বেশি করে জনসংযোগ ঘটাতে দিদিকে বলো কর্মসূচি গ্রহণ করে তৃণমূল কংগ্রেস। যে কর্মসূচি ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্কপ্রসূত বলেই দাবি একাংশের। কিন্তু এই দিদিকে বলো কর্মসূচির মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিজেদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, এর ফলে কার্যত অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের। যেখানে এই কর্মসূচি করতে যাওয়া নেতাদের কখনও সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের মুখে, আবার কখনও বা নিজের দলের কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে।

আর এবার দিদিকে বলো কর্মসূচিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন নারায়ণগড়ের তৃণমূল বিধায়ক প্রদ্যোৎ ঘোষ। জানা যায়, এদিন দিদিকে বলো কর্মসূচি উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বাকড়াবাধ এলাকায় যান প্রদ্যোৎবাবু। আর সেখানেই তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। রাস্তাঘাট নিয়ে নানা অভিযোগ জানিয়ে মদনগোপাল দাস নামে এক তৃণমূল কর্মীর নেতৃত্বে তৃণমূল বিধায়কের সামনে প্রবল বিক্ষোভ সংঘটিত হয়।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর দলের বিধায়কের সামনে এভাবে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভে এখন কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েছেন সেই তৃণমূল বিধায়ক এবং গোটা তৃণমূল পরিবার। ইতিমধ্যেই এই বিষয়টিতে তৃণমূলকে খোঁচা দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা গৌরীশংকর অধিকারী বলেন, “গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। বিধায়ক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় যান না। আগামী দিনে এলাকায় আরও বড় বিক্ষোভ হবে।” তবে বিজেপির এই দাবিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন

এই প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক প্রদ্যোৎ ঘোষ বলেন, “দিদিকে বলো কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের মনের কথা শুনেছি। দ্রুততার সঙ্গে সেই রাস্তা করে দেওয়া হবে।” বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, দিদিকে বলো কর্মসূচি সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শোনার জন্যই। কিন্তু তৃণমূলের এই কর্মসূচিতে যদি তৃণমূল কর্মীরা দলীয় বিধায়ককে বিক্ষোভ দেখান, তাহলে তা নিঃসন্দেহে বিরোধীদের কাছে নতুন অস্ত্র হয়ে দাঁড়ায়। এদিন নারায়ণগড়ে সেই ঘটনাই ঘটল। আর যার ফলে প্রবল অস্বস্তিতে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। এখন গোটা পরিস্থিতি ঠিক কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, দলীয় কর্মীদের ক্ষোভ মেটাতে তৃণমূল বিধায়কের আশ্বাস কাজে দেয় কিনা! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!