এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > বিজেপিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন শাসকদলের হেভিওয়েট প্রাক্তন সভাপতি, জোর জল্পনা

বিজেপিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন শাসকদলের হেভিওয়েট প্রাক্তন সভাপতি, জোর জল্পনা

উত্তরবঙ্গের তৃণমূলের সেফসিট হিসেবে পরিচিত বালুরঘাট লোকসভা আসনে এবার পরাজয় স্বীকার করে নিতে হয়েছে সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষকে। আর হেরে যাবার পরই বালুরঘাটের প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের এই হারের পেছনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি বিপ্লব মিত্র ও তার অনুগামীদের একাংশের হাত রয়েছে বলে দাবি করতে থাকেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই।

আর এর পরে আর রাজ্যের সমস্ত জেলার নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠকে সেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিপ্লব মিত্রের ডানা ছেটে দিয়ে বালুরঘাটের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের উপর জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বস্তুত, এর আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রবল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে গত 2016 সালের বিধানসভা ভোটের কিছুদিন আগে জেলা তৃণমূল সভাপতি পদ থেকে বিপ্লব মিত্রকে সরিয়ে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর চক্রবর্তীকে। কিন্তু তারপরও বিগত বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ছয়টি বিধানসভার মধ্যে চারটি বিধানসভাতেই পরাজিত হতে হয় তৃণমূলকে।এর কিছুদিন পরে ফের বিপ্লব মিত্রকে জেলা তৃণমূল সভাপতি পদে ফিরিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আর তার পর লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট আসনটি হাতছাড়া হতেই মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব মিত্রাকে এর জন্য দায়ী করে তাঁকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেন।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের পদপ্রার্থী ছিলেন একদিকে অর্পিতা অন্যদিকে বিপ্লব মিত্র। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী অর্পিতার উপর আস্থা রেখা তাঁকেই টিকিট দেন। ফলে ক্ষোভ ছড়িয়েছিলো বিপ্লব মিত্র ও তাঁর অনুগামীদের মধ্যে। আর অর্পিতার এই হারের কারণও নাকি সেই গোষ্ঠীকোন্দল এমটাই দাবি তৃণমূলের।

নেত্রীর এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন বিপ্লব বাবু। তিনি জানিয়েছিলেন যে, “এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমার নামে মমতাকে মিথ্যে কথা বলা হয়েছে। উনি যেটা ভালো বুঝেছেন, করেছেন। সভাপতি বদল করে জেলার সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলেই হয়তো এই কাজ করা হয়েছে। কিন্তু আমি যদি দলীয় প্রার্থীকে হারিয়েই থাকি, তাহলে অর্পিতা 5 লক্ষের ওপরে ভোট পেল কি করে!”সাথেই তাঁকে ভৎসনা করে বলেছিলেন, “আপনি তৃণমূলে নাকি বিজেপিতে থেকে রাজনীতি করতে চান, তা আপনাকেই স্থির করতে হবে।”ফলে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চান এমন জল্পনা ছড়িয়েছিলো।

এরপর কেটে গেছে অনেক কদিন আর এদিন ফের জল্পনা ছড়িয়েছে যে আজ বিপ্লববাবু দিল্লির বিজেপির সদর দপ্তর থেকে গেরুয়া শিবিরের পতাকা নিজের হাতে তুলে নেবেন। আর তাই তিনি ইতিমধ্যে দিল্লি পৌঁছে গেছেন। কিন্তু এই নিয়ে বিপ্লববাবু এখনো পর্যন্ত কোনো পতিক্রিয়া দেননি। বা বিজেপির তরফ থেকেও কোনো পতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অপেক্ষা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!