এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা >  তৃণমূলের শক্তি কমছে, আতঙ্কিত উনি দিল্লি ছুটছেন, লড়াই করতে পারবেন না: বামফ্রন্টের বিশ্লেষণ

 তৃণমূলের শক্তি কমছে, আতঙ্কিত উনি দিল্লি ছুটছেন, লড়াই করতে পারবেন না: বামফ্রন্টের বিশ্লেষণ

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চিরকালের চিরন্তন দুই প্রতিপক্ষ তৃণমূল ও সিপিএম হলেও সম্প্রতি রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণ অনেকটাই পাল্টে গেছে। একদিকে যেমন 35 বছরের বামফ্রন্টের রাজত্ব ধ্বংস করে বাংলার মসনদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরদিকে তেমনই বিরোধী আসন থেকেও বামফ্রন্টকে অনেকটা পিছিয়ে দিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

স্বাভাবিকভাবেই পশ্চিমবাংলার মাটিতে কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে সিপিআইএম এবং সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট। কিন্তু চিরকালের প্রতিপক্ষকে তীর্যক আক্রমণ করতে পিছপা হয়নি সিপিআইএম নেতৃত্ব। তাই এবার মঙ্গলবার মেদিনীপুরের ভাঙ্গাহাটের সভা থেকেই তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।

এদিনের সভা থেকে সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, “তৃণমূলের শক্তি কমে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে আতঙ্কিত হতে বারণ করছে। কিন্তু আমার তো মনে হয় ওর চেয়ে বেশি আতঙ্কিত কেউ নেই। উনি সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। রাতের ঘুম হচ্ছে না। সকালে উঠে দেখতে হচ্ছে সবাই আছেন তো নাকি বিজেপিতে চলে গেলেন! আতঙ্কিত হয়ে উনি দিল্লি ছুটছেন। উনি লড়াই করতে পারবেন না।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূর্যকান্তবাবু বলেন, “রাজীব কুমার একজন কর্মচারী। আসল লড়াই তো মালিকের সঙ্গে। অপরদিকে এদিন কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে সূর্যবাবু জানান, সবার স্মার্টফোন নেই। যাদের কাছে আছে, তারা গরীব মানুষের বাড়িতে গিয়ে তাদের ভোটার ভেরিফিকেশন করে দেবেন। এটা দায়িত্ব নিয়ে করতে হবে। ভোটার তালিকায় নাম যাতে থাকে, সেটা দেখতে হবে।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সিপিএমের এই জেলা সম্মেলন ডাকা হয়েছিল। সভায় সিপিএমের অন্যান্য শরিক দলের পাশাপাশি রাজ্যে তাদের জোটসঙ্গী কংগ্রেসকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

কিন্তু উল্লেখযোগ্যভাবে কংগ্রেসের কোনো নেতাকেই সভামঞ্চে চোখে পড়েনি। সিপিএমের তরফ থেকে মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক তরুণ রায় সিপিএম রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ও দীপক দাশগুপ্ত এদিনের সভায় বক্তব্য রাখেন। পরিশেষে বক্তব্য রাখতে ওঠেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক এবং পলিটব্যুরোর সদস্য সূর্যকান্ত মিশ্র।

কিন্তু সূর্যবাবুর এদিনের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উঠছে নানা প্রশ্ন। তাহলে কি এবার রাজ্যের বিরোধীদলগুলোর একযোগে আক্রমণের মুখে পড়তে চলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! একদিকে বিজেপির অহর্নিশি রাজনৈতিক আক্রমণে দিশেহারা তৃণমূল কংগ্রেস। এখন চতুর্দিক থেকে আসা বিরোধীদের আক্রমনকে কী করে সামলাবে তৃণমূল! সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!