এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > তৃনমূলের ব্রিগেড সমাবেশে সোনিয়া বা রাহুল গান্ধী যাতে না আসেন, তার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ বঙ্গ কংগ্রেসের

তৃনমূলের ব্রিগেড সমাবেশে সোনিয়া বা রাহুল গান্ধী যাতে না আসেন, তার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ বঙ্গ কংগ্রেসের

আগামী 19 শে জানুয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ব্রিগেড সমাবেশ। যেখানে প্রায় সমস্ত বিজেপি বিরোধী দলকেই আহ্বান জানিয়েছে তৃণমূল। যে আমন্ত্রণের তালিকায় রয়েছে কংগ্রেসও। কিন্তু এই রাজ্যে বর্তমানে কংগ্রেসের সাথে তৃণমূলের আদায় কাঁচকলায় সম্পর্ক।

তাই লোকসভা ভোটের আগে এই বিরোধী মহাজোটের ব্রিগেড সমাবেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে যেন কংগ্রেসের কোনো প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত না হন সেই ব্যাপারে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন বঙ্গ কংগ্রেসের সদর দপ্তর বিধান ভবনের নেতারা।

সূত্রের খবর, আগামী 20 ডিসেম্বর দিল্লিতে এই ব্যাপারে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন বাংলার ভারপ্রাপ্ত এআইসিসি নেতা গৌরব গগৈ এবং রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র। জানা গেছে, সেখানেই রাজ্যের বর্তমান দলীয় সংগঠনের অনুভূতির কথা তুলে ধরবেন তাঁরা।

এমনকি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশে দলকে আমন্ত্রণ জানালে সেখানে যেন কোনো হেভিওয়েট নেতা উপস্থিত না থাকেন সেই ব্যাপারেও কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে অনুরোধ জানাবেন রাজ্যের নেতারা। কিন্তু যেখানে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বিজেপিকে সরাতে কংগ্রেস-তৃণমূল এক সাথে হাতে হাত বেধে লড়তে চাইছে ঠিক সেখানেই কেন বঙ্গ কংগ্রেসের নেতারা তৃণমূলের থেকে এহেন দূরত্ব তৈরি করছেন?

প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশের মতে, বিগত দিনে এই রাজ্যে কংগ্রেসের দলীয় সংগঠন ভেঙে পড়ার পেছনে মূল দায় রয়েছে তৃণমূলেরই। একের পর এক দলীয় বিধায়ক এবং নেতাদের ঘাসফুলে যোগদান করিয়েছেন তৃণমূলের নেতারা। ফলে বুঝে শুনে সেই তৃণমূলকে সাথে নিয়ে নিজেদের ঘরে আর বিপদ আনতে চাইছেন না সোমেন মিত্র- আব্দুল মান্নানেরা।

অন্যদিকে রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্তের পেছনে শাসকদল তৃণমূলের মেরুকরণের রাজনীতিই দায়ী বলে অভিযোগ করছেন অনেক কংগ্রেস নেতা। তাই এই সমস্ত যুক্তি এবং কারণকে সামনে রেখে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধীর কাছে রাজ্যের কংগ্রেস নেতারা আবেদন করবেন যেন তৃণমূলের এই ব্রিগেড সমাবেশে দলের তরফে কোনও প্রতিনিধিকে পাঠানো না হয়। কিন্তু আদৌ কি রাজ্যের কংগ্রেস নেতাদের এহেন বক্তব্যে সীলমোহর দেবেন রাহুল গান্ধী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে অনেকটাই ভালো জায়গায় রয়েছে কংগ্রেস। যার প্রভাব পড়েছে এই রাজ্যেও। ফলে দলের রাজ্য নেতারা ঠিক কি করবেন তা তাদের ওপরই বিবেচনার জন্য ছেড়ে দিতে পারেন রাহুল। আর যদি একান্তই রাহুল গান্ধী তৃণমূলের এই ব্রিগেড সমাবেশে কোনো প্রতিনিধিকে পাঠাতে চান তাহলে সেখানে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ কোনো এক নেতাকে যেন পাঠানো হয়- এমনই এক প্রস্তাব কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দেবে রাজ্য নেতৃত্ব বলে জানা গেছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে অনেকেই মনে করছেন, এই রাজ্যে কংগ্রেস নিজের পায়ে দাঁড়া এখন এটিই মনে প্রানে চাইছেন রাহুল গান্ধী। আর তাই দলের রাজ্য নেতাদের প্রস্তাব মেনে নিতে পারেন তিনি। আর যদি রাজ্যের অনুভূতিকে মান্যতা দেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি তাহলে তৃণমূলের এই ব্রিগেড সমাবেশে তেমন কোনো কংগ্রেসের প্রতিনিধিকে দেখা যাবে না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!