এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিস্ফোরক আক্রমণ তৃণমূলকে,সৌজন্যে সায়ন্তন,অমিত শাহ

বিস্ফোরক আক্রমণ তৃণমূলকে,সৌজন্যে সায়ন্তন,অমিত শাহ

এদিন কোলকাতার মেয়ো রোডে অমিত শাহের সভার প্রেক্ষিতেই রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হলেন বিজেপি-র রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু। জানালেন,তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরাই নানাভাবে ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীদের সভায় আসতে বাধা দিচ্ছে। বিশেষ করে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর,হুগলি সহ বেশি কিছু এলাকা থেকে আসা বিজেপি কর্মীদের পথেই ভয় দেখিয়ে আটকে দিতে চেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কোথাও কোথাও মারধোরও করা হয়েছে তাদের উপর। তৃণমূলের এই আচরণকে ‘অসভ্যতার সীমা লঙ্ঘন’ বলেও উল্লেখ করলেন তিনি। পাশাপাশি এটাও জানালেন,বিজেপির টার্গেট ছিল তিন লাখের মতো মানুষকে জনসভায় আনা। সেই কথা মতোই কাতারে কাতারে সব মিলিয়ে তিন লাখ বিজেপি কর্মী সমর্থকরাই সমস্তরকম হুমকি উপেক্ষা করে হাজির হয়েছেন জনসভায়। মানুষকে আটকাতে কার্যত ব্যর্থ রাজ্যের শাসকদল। এমনটাই দাবী করলেন বিজেপি-র রাজ্য সম্পাদক।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

পার্কস্ট্রিট চত্বর আজ গমগম করছিল বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ভীড়ে। তাদের মধ্যেই দাঁড়িয়েই তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়ে লোকসভার প্রচার শুরু করলেন সর্ব ভারতীয় বিজেপি সভাপতি। বাংলায় পরিবর্তন আনার জন্য বিজেপিকে ভোট দেওয়া কেন দরকার,কীভাবে মোদীজির হাত ধরে বাংলায় উন্নয়ন আসতে পারে সেটাই ব্যাখ্যা করলেন অমিত শাহ। এবং পরিবর্তনের স্বার্থে বাংলা থেকে ৪২-এ ২২ এর দাবী করলেন শাহ। এছাড়া এনআরসি থেকে দুর্নীতি, অনুপ্রবেশকারী থেকে শরণার্থী নানান ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধলেন সর্ব ভারতীয় বিজেপি নেতৃত্ব। আক্রমণের মূল নিশানায় ছিলেন অবিজেপি জোটের মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন,বাংলার উন্নতি না বামেরা ৩৪ বছর ধরে করতে পেরেছে না তৃণমূল পারছে। তাই বাংলাকে রক্ষা করতে,বাংলার উন্নয়নের কথা ভেবেই বাংলার মানুষের বিজেপিকে সুযোগ দেওয়া উচিত। এটাও জানালেন, শুধু ২০১৯ নয়,বাংলাতেও ক্ষমতায় আসা বিজেপির লক্ষ্য।

যতদিন না তৃণমূলকে বাংলা ছাড়া করতে পারা যাচ্ছে,ততোদিন বিজেপির বিজয়রথ থামবে না বলেও তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন বিজেপি সুপ্রিমো। পাশাপাশি তৃণমূল সরকারকে উৎখাতের ডাক দিয়ে শাহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই উদ্দেশ্য করে বললেন যে বিজেপি বাংলার বিরোধী নয়। কোনোদিনই ছিল না। কারণ বিজেপির প্রতিষ্ঠাতাই একজন বাঙালি- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। রামকৃষ্ণ- বিবেকানন্দের পূজো করা বিজেপি কখনোই বাংলার শত্রু হতে পারে না। এরসঙ্গে এটাও স্পষ্ট করে জানালেন,বিজেপি আদতে ‘মমতা বিরোধী’। এদিন বাংলায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পাশে থেকে তৃণমূল ভোট ব্যাঙ্ক বাঁচাচ্ছে বলেও দাবী করলেন শাহ। এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে জানালেন,এনআরসি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতোই বিরোধীতা করুক না কেন, সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশ পাঠানোর ব্যবস্থা করবে মোদী সরকার। আর তৃণমূল কংগ্রেস বাধা দিয়েও কিছু করতে পারবে না। বিজেপির কাছে আগে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা,তারপর ভোটব্যঙ্ক। এমনটাই জানালেন তিনি। তবে শরণার্থীদের আশ্বস্ত করে এটাও জানালেন যে তাঁদের পাশেও বিজেপি থাকবে। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দানের জন্য অবিলম্বে বিল পাশ করা হবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!