এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ‘অবস্থান বিক্ষোভ’ তুমি কার? জোর তরজা তৃণমূল ও বিজেপি-তে

‘অবস্থান বিক্ষোভ’ তুমি কার? জোর তরজা তৃণমূল ও বিজেপি-তে

অবস্থান বিক্ষোভ নিয়ে দুই যুযুধান গোষ্ঠী তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তুমুল অশান্তি ছাড়ালো কোচবিহারে। এই ঘটনার জেরে মুহূর্তেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠলো গোটা চত্বর। জানা গেছে আগামী ২২ জুন কোচবিহারের জেলা শাসকের অফিসের সামনে বিজেপির অবস্থান কর্মসূচি হওয়া কথা ছিল বিজেপির । সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রাজ্য বিজেপির তাবড় তাবড় দুই ব্যক্তিত্ব মুকুল রায় এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু এদিন নজরে এল ওই একই স্থানে আগে থেকেই মঞ্চ তৈরি করা শুরু করছে তৃণমূলের দলীয় কর্মীরা ২০ – ২৪ তারিখের অবস্থান বিক্ষেভ কর্মসূচির পালনের জন্য । জানা গেছে এই মঞ্চ তাঁরা নাকি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রতিবাদ করার জন্য করা হয়েছিল । স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে এতো জায়গা থাকতে সভা করার জন্য দুই বিরোধী গোষ্ঠী একই জায়গা কেন নির্বাচন করল ? রাজ্য রাজনীতিতে এই প্রশ্ন ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল গুঞ্জন। তৃণমূল তরফ থেকে জানা গেছে, ওই স্থানে কর্মসূচির জন্যে নাকি তাঁরা আগেই থেকেই অনুমতি পেয়ে গিয়েছিলেন । এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ জানালেন যে আগেই তারা সভা করার জন্য অনুমতি নিয়ে নিয়েছিলেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

অন্যদিকে,বিজেপি তৃণমূলের এ কথা অস্বীকার করেছে। বিজেপির দাবি তারা ২২ তারিখের অবস্থান কর্মসূচির জন্য নাকি প্রশাসন ও পুলিশের কাছ থেকে অনুমতিও চেয়েছিলো। তবে সেই অনুমতি এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। পাল্টা অভিযোগে বিজেপি জানায়, তৃণমূল ও প্রশাসন নাকি জোট বেঁধে তাঁদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নেমেছে। এ ব্যাপারে পাওয়া গেছে বিজেপি সভাপতি নিখিল রঞ্জন দে র বক্তব্য। তিনি অভিযোগের স্বর চড়া করে জানান যে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আসলে ভয় পেয়ে গেছে তৃণমূল। তাই এধরণের হীন কাজে নেমেছে। তবে প্রশাসনের তরফ থেকে তাঁদের এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি। ২২ তারিখ এ কর্মসূচি হবে বলেই ধরে নিয়ে আপতত প্রস্তুতি পর্ব চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

প্রসঙ্গত, কোচবিহার জেলায় প্রশাসনের দ্বারা গেরুয়া দলের কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের অবাধ সন্ত্রাস চালানো, ব্যালট বাক্স নিয়ে চম্পট দেওয়া, কারচুপি,ছাপ্পা ভোট,সব মিলিয়ে গণতন্ত্রের মারণযজ্ঞ এই সব অভিযোগ করে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো বিজেপি। এর পাশাপাশি ওই সভাতেই কোচবিহার জেলা শাসককে স্মারকলিপি এবং অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছিল বিজেপি। তবে তৃণমূলের হস্তক্ষেপে এই কর্মসূচি পরিনতি পায় কিনা তা নিয়ে দ্বন্দ্বে আছেন আপাতত জেলার বিজেপি নেতৃত্বরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!