এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > “তৃণমূলের গুন্ডারাই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে” – ছবি দেখিয়ে, তথ্য দিয়ে তৃণমূলের দিকেই অভিযোগ করলেন অমিত শাহ

“তৃণমূলের গুন্ডারাই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে” – ছবি দেখিয়ে, তথ্য দিয়ে তৃণমূলের দিকেই অভিযোগ করলেন অমিত শাহ

গতকাল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর রোড শোর মাঝেই বিদ্যাসাগর কলেজ চত্বর উত্তপ্ত হয়ে ওঠার ঘটনায় এবং পরবর্তীতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বনাম বিজেপি কর্মীদের সংঘর্ষের জেরে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনায় প্রথম থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে লোকসভা নির্বাচনের মরসুমকে উত্তপ্ত করতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনকি বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গার ঘটনার খবর পেয়ে বেহালার সভা থেকে এই গোটা ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগতেও দেখা যায় তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

তবে তৃণমূল যখন এই ঘটনায় বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছে, ঠিক তখনই একাংশ অবশ্য বলছেন যে বিদ্যাসাগর কলেজের চত্বর বন্ধ ছিল, সেখানে কি করে বিজেপি ঢুকল আর কি করেই বা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙল? আর এবার সেই একই দাবি করে তৃণমূলের দিকে পাল্টা এই ব্যাপারে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।

এদিন প্রেস মিট করে রীতিমতো ছবি দেখিয়ে বিজেপি সভাপতি বলেন, “ঘটনার সময় কলেজের গেট বন্ধ ছিল। আপনারা ছবিতেও তা দেখতে পাচ্ছেন। বিজেপি সমস্ত কর্মী-সমর্থকরা বাইরে ছিলেন। মাঝে পুলিশ ছিল। তাহলে কলেজের ভেতরে কারা মূর্তি ভাঙল! কলেজের চাবি কাদের কাছে থাকে! তাহলেই তো প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে যে তৃণমূলই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে।” এদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির এহেন দাবি ঘিরেই এখন তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সমালোচকদের মতে, অমিত শাহের কথা কিছুটা হলেও সত্যি। কেননা যে কলেজে তৃনমূলের সংগঠন এবং তৃনমূলই সর্বেসর্বা, সেখানে বিজেপি কর্মীরা ঢুকে অত্যাচার চালানোর সাহস পায় কি করে! এদিকে এদিন এই ঘটনায় যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়ে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গা কাণ্ডে বিজেপির বিরুদ্ধে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বদলা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলে এদিন সেই প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন অমিত শাহ।

তিনি বলেন, “দুদিন আগেই বদলার হুমকি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমি দিদিকে ভয় পাই না। পারলে আমার বিরুদ্ধে এফআইআর করুন। এইভাবে কোনোওদিন বিজেপিকে রোখা যাবে না। বাংলায় বিজেপি এবার 23 টার বেশি আসন পাবে।”

সব মিলিয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গা কাণ্ডে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে তৃণমূল, ঠিক তখনই পাল্টা এই ব্যাপারে তৃণমূলের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলে সরব হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!