এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সাত দফা নির্বাচন নিয়ে এখনও গজরাচ্ছে তৃণমূল, ফিরহাদ-অনুব্রতর বিরুদ্ধে বিজেপির কড়া অভিযোগ কমিশনে

সাত দফা নির্বাচন নিয়ে এখনও গজরাচ্ছে তৃণমূল, ফিরহাদ-অনুব্রতর বিরুদ্ধে বিজেপির কড়া অভিযোগ কমিশনে

গত রবিবার বিকেলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আর যেখানে নির্বাচন কমিশনের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী দেখা গেছে যে, বাংলায় লোকসভা নির্বাচন এবারে সাত দফায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর নির্বাচন কমিশনের এহেন ঘোষণায় সমস্ত বিরোধী দল স্বাগত জানালেও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস লোকসভা নির্বাচন নিয়ে নিজেদের আপত্তি জানিয়ে দিয়েছে

। আর এবার গতকাল রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দলকে নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকের সাত দফা নির্বাচন নিয়ে নিজেদের আপত্তি জানিয়ে দিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। সূত্রের খবর, এদিন এই বৈঠকের তৃণমূলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সুব্রত বক্সী এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিজেপির তরফ থেকে জয়প্রকাশ মজুমদার, প্রভাকর তিওয়ারি, বামেদের পক্ষ থেকে রবীন দেব, সুখেন্দু পানিগ্রাহী, সুকুমার ঘোষ, প্রবীর দেব এবং অন্যদিকে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন দেবব্রত বসু এবং প্রশান্ত দত্ত।

অন্যদিকে কমিশনের তরফ থেকে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিইও আরিজ আফতাব, অতিরিক্ত সিইও শৈবাল বর্মন, সঞ্জয় বসু এবং অমিত রায় চৌধুরী। জানা গেছে, এদিনের এই বৈঠকে তৃণমূলের তরফে পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন যে, প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তার খরচ কারা মেটাবে?

পাশাপাশি প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে একটি বুথের ভিভিপ্যাড কেন পরীক্ষা করা হবে তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের শাসক দল। এদিন কমিশনের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এত দীর্ঘায়িত নির্বাচন আগে কখনও হয়নি। নিয়ম থাকলেও কোনো দফার আগে 14 দিন, আবার কোন দফার আগে 20 দিন ফারাক রয়েছে। মাঝে আবার দোলের জন্য চার দিন সরকারি ছুটি রয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এই সমস্ত ছুটির দিন মাথায় রাখা উচিত ছিল।” অন্যদিকে এদিনের এই বৈঠকে কমিশনের কাছে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট নিয়ে শাসকদলের নেতা তথা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্য এবং বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিতর্কিত মন্তব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বিরোধী দলগুলো। বাম, কংগ্রেস ও বিজেপি প্রায় প্রতিটা বিরোধীদলের তরফেই থেকেই এদিনের কমিশনের সাথে বৈঠকে যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয় রাজ্যে তার জন্য আবেদন জানানো হয়।

এদিন বৈঠকের পরে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “গুন্ডা দমন বা অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ নজর দিতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।” অন্যদিকে সিপিএমের পক্ষে রবীন দেব বলেন, “সাত দফায় ভোট হওয়ায় ভোটের দিন সীমানা সিল করতে হবে। মৃত এবং এলাকায় থাকেন না এমন ভোটারের নামের তালিকা রাজনৈতিক দলগুলির হাতে তুলে দিতে হবে।” পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দায়িত্ব যাতে পুলিশ সুপারের হাতে না থাকে তার জন্যও এদিন নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে বামেরা।

এদিকে কমিশনের সাথে বৈঠক করে কংগ্রেসের পক্ষে দেবব্রত বসু বলেন, “2011 সালের বিধানসভা নির্বাচনের মতই এবার সুষ্ঠুভাবে যেন নির্বাচন হয় সেদিকে প্রত্যেককেই নজর দিতে হবে।” সব মিলিয়ে এবার রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস সাত দফায় ভোট নিয়ে কমিশনের দরবারে আপত্তি জানালেও বিরোধীরা এক সুরে রাজ্যে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন যাতে হয় তার জন্য কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়ে পরোক্ষে সেই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকেই যে চাপে রাখলেন সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!