এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মোদীর ‘এক দেশ এক ভোট’ আটকাতে একসুরে বাজছে তৃণমূল-সিপিএম

মোদীর ‘এক দেশ এক ভোট’ আটকাতে একসুরে বাজছে তৃণমূল-সিপিএম

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী’র বহু দিনের ইচ্ছে সমগ্র দেশের বিধানসভা এবং লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন একই সময়ে হোক। আর সেই ইচ্ছের সর্ব দলীয় গ্রাহ্যতার বিষয়ে সঠিক ধারণা করার জন্যেই আইন কমিশন আগামী ৭-৮ জুলাই দিল্লীতে বৈঠকের আয়োজন করলও। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করলে বিজেপি শিবিরের একাংশ মনে করছে প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিরোধী শিবিরের সমস্ত দলগুলিই এই প্রস্তাবের বিরোধীতা করছে। এখন আইন কমিশনের আমন্ত্রনে আগামী শনি এবং রবিবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ, এক ভোট’ প্রস্তাব বিরোধীদের চাপের মুখে যদি খারিজ হয়ে যায় সেক্ষেত্রে বিজেপি বিরোধী জোট গঠনকে পরোক্ষে ইন্ধন দেওয়া হবে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

‘এক দেশ, এক ভোট’  প্রসঙ্গে এদিন প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘এটা আমার প্রস্তাব নয়। লালকৃষ্ণ আডবাণী-প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্বরা ওই প্রস্তাবের হয়ে সওয়াল করেছেন। সম্প্রতি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীও একে সমর্থন করেছেন। ১৯৪৭ সালেও কিন্তু দু’টি ভোট এক সঙ্গে হয়েছিল।’ এইপ্রস্তাব যেহেতু প্রধানমন্ত্রী সমর্থন করেছেন স্বাভাবিক ভাবেই গেরুয়া শিবিরের কাছেও এটা সমান মানয়তা পেয়েছে। তাদের মতে দুই প্রকার নির্বাচন একসাথে হলে নির্বাচন সংক্রান্ত দেশের খরচ অনেকটা হ্রাস পাবে। এদিকে নীতি আয়োগের উপাধ্যক্ষ রাজীব কুমারের বললেন, ”এতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপরে মানুষের ভরসা অটুট থাকবে। যদিও কেন্দ্রের এই মনোভাবের বিপক্ষে বিরোধী শিবিরে নানা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বললেন, ”ইচ্ছে হলেই সব কিছু করা যায় নাকি?” অন্যদিকে সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য ও প্রাক্তন সাংসদ নীলোত্‍পল বসু’র মতে , ”খরচ কমানোর যুক্তি দেখিয়ে আসলে সাংবিধানিক কাঠামো ভাঙার চেষ্টা এটা! ”

Top
error: Content is protected !!