এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > তৃণমূলের রাজত্ত্বে নেতাদের ঘরে মোজাইক হয়েছে, গরীবের দুর্দশা আরও বেড়েছে: জয়

তৃণমূলের রাজত্ত্বে নেতাদের ঘরে মোজাইক হয়েছে, গরীবের দুর্দশা আরও বেড়েছে: জয়

রাজ্যের শাসকদল সম্পর্কে আবারও সমালোচনায় মুখর হলেন বিজেপির রাজ্যস্তরের নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের কালনা সাতগাছিয়ায় বিজেপির দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে এদিন উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। সভায় তাঁর বক্তব্যে বিজেপি নেতা মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি তীব্র কটুক্তি করে বললেন, ”একসময় মমতা বলতেন- আগে কমরেডরা একটা বিড়ি তিনবার কানে রেখে খেতেন। এখন লম্বা লম্বা সিগারেট খান। আগে কমরেডরা ঝনঝনে সাইকেলে চড়তেন। এখন বড় বড় গাড়ি চড়েন। এখন আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সে কথা বলতে পারেন না। কারণ, দুর্নীতিতে ওরা বামেদেরকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।” তৃণমূল শাসিত রাজ্যে উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিদ্রুপ করেই তিনি বললেন, ”তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা যাঁরা পঞ্চায়েতে রয়েছেন, তাঁদের কী ছিল, কী হয়েছে-দেখলেই বুঝতে পারবেন ওরা কীভাবে দুর্নীতি করেছে। আমি যে রাস্তা দিয়ে আসছিলাম, মনে হচ্ছিল যেন একটা নাচের স্কুল দেখে এলাম। খালি নাচছি। এই রাস্তার জন্যই আপনারা কি সিপিএমকে সরিয়ে সাদা শাড়ির তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিলেন?”

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

বিজেপি নেতার এই বিদ্রুপাত্মক মন্তব্যে সভায় উপস্থিত দলীয় কর্মী সমর্থক সহ এলাকার মানুষ বক্তাকে উদ্দীপ্ত রাখতে এবং নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে করতালিতে ফেটে পড়ে। এরপরে একপ্রকার হতাশার সুরেই বিজেপি নেতার স্বীকারক্তি , ”৩৪ বছরের জগদ্দল সরকারকে সরিয়ে পরিবর্তনের সরকারকে ক্ষমতায় আনার দলে আমিও ছিলাম। আমরা অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ক্ষমতায় এনেছিলাম। কিন্তু সাধারণ গরিব মানুষের সেই স্বপ্নের একফোঁটাও পূরণ হয়নি। তাদের উলটে কী হল? তাঁরা আরও দুঃখে আছেন। ” বিজেপির জয়গান করে শেষে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, “বিজেপির এটা ঘোষিত নীতি, মানুষের পাশে থাকো। মানুষের সুখ দুঃখে থাকো। কোনওরকম দুর্নীতিতে বরদাস্ত করা হবে না। আমাদের কোনও নেতা-নেত্রীর দুর্নীতি করলে পিছনে লাথি মেরে বের করে দিই। এটাই হচ্ছে আমাদের নীতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!