এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপিকে আটকাতে তৃণমূল নেত্রী জোট চান কংগ্রেস ও সিপিআইএমের সঙ্গেও , বিজেপি আটকাবে নাকি ফায়দা লুটবে ?

বিজেপিকে আটকাতে তৃণমূল নেত্রী জোট চান কংগ্রেস ও সিপিআইএমের সঙ্গেও , বিজেপি আটকাবে নাকি ফায়দা লুটবে ?

আসন্ন 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঠেকাতে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে বিরোধী মহাজোট। আর এই মহাজোটে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের উপস্থিতি নিয়ে আদৌ কতটা এই মহাজোট স্থায়িত্ব লাভ করবে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

বিজেপিকে সরানোর জন্য দেশে সকল বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক হওয়া উচিত বলে প্রথম এই বিরোধী মহাজোটের সুতোটা বেঁধেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি আশ্চর্যজনকভাবে বিজেপিকে ঠেকাতে বঙ্গ রাজনীতির প্রতিপক্ষ সিপিএমের সঙ্গে এক মঞ্চে থাকতেও আপত্তি ছিল না তৃণমূল নেত্রীর।

পাশাপাশি বাংলায় বর্তমানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধী দল কংগ্রেসের সাথে জোটেও কোনোরূপ আপত্তি ছিল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এমনকি দিল্লিতে গিয়ে যন্তরমন্তরে ধরনা মঞ্চেও সেই বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে সিপিএম ও কংগ্রেসের সঙ্গে জাতীয় রাজনীতিতে জোটের কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘোষণায় ঠিক কারা বেশি লাভবান হবে তা নিয়ে এখন বিভিন্ন মহলে চলছে জোর জল্পনা। একদা মূল প্রতিপক্ষ সিপিএমই এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বন্ধু হতে চলেছে বলে ইতিমধ্যেই তৃণমূলকে খোঁচা দিতে শুরু করেছে বিজেপি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, 2011 সালে রাজ্যের বাম আমলে প্রায়শই সে বাম শাসনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে দেখা যেত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কেউই কোনো দিনও এমনটা আঁচ করেনি যে সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক প্রয়োজনে তাঁর মূল শত্রু সিপিএমের সাথে জোট করবেন। আর আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে সরাতে সেই সিপিএমের সাথেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোটের ঘোষণায় তৃণমূল নেত্রীর রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলে ঘাসফুল শিবিরকে খোঁচা দিতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবির।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে অতীতে কেন্দ্রের ইউপিএ সরকার থেকে বেরিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সুর চড়ালে এবং রাজ্যের বর্তমান বিরোধী দল কংগ্রেসের সাথে আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক থাকলেও সেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে কংগ্রেসের সাথে জোট করা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা।

বিজেপির একাংশের দাবি, রাজনৈতিক মতাদর্শকে বিসর্জন দিয়ে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লক্ষ্যে এখন যার সাথে পারছেন তাঁর সাথেই জোট করার চেষ্টা করছেন। তবে এতে করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো চেষ্টাই সফল হবে না।

তবে বিজেপির এহেন দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা তৃনমূল কংগ্রেসের নেতাদের মন্তব্য, রাজনীতিতে চিরশত্রু, চিরমিত্র বলে কোনো কথা হয় না। একদা বাম আমলে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে নিজের প্রতিবাদী কন্ঠ মেলে ধরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার পরেই রাজ্যে এসেছে পরিবর্তন।

কিন্তু এবারে দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি বিরোধী সকল রাজনৈতিক দলকে একত্রিত করার চেষ্টা করছেন। এতে অসুবিধের কিছুই নেই।

কিন্তু এইখানেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের প্রশ্ন, বিগত বাম আমলে তৃণমূলের যে সমস্ত কর্মীরা অত্যাচার এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে সাথে বামেদের বিরুদ্ধে লড়াই করে, সেই সমস্ত কর্মীরা কি বামেদের সাথে তৃণমূল নেত্রীর এই জোট আদৌ মন থেকে মেনে নেবেন! প্রশ্নটা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!