এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > তৃণমূলের ‘গা-জোয়ারি’র মাত্র ৫% প্রকাশ্যে এসেছে, বিস্ফোরক অভিযোগ অধীর চৌধুরীর

তৃণমূলের ‘গা-জোয়ারি’র মাত্র ৫% প্রকাশ্যে এসেছে, বিস্ফোরক অভিযোগ অধীর চৌধুরীর

আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষ্যে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগের অন্ত নেই। এরমধ্যে নয়া বিপত্তি দেখা দিলো প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী’র মন্তব্যকে কেন্দ্র করে।  তাঁর মতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শাসক দল ৩৪% আসন জিতে যাওয়ায় শুধু বিরোধী দলই ‘ব়ঞ্চিত’ নয়, প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ মানুষ ও বঞ্চিত যাঁরা তাঁদের ভোট দানের অধিকার প্রয়োগ করতে বিরত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতি সারা দেশের মধ্যেই নজিরবিহীন। গত সোমবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে অধীর বাবু বললেন,”মনোনয়নের সময়ে ২৫% এবং প্রত্যাহারের পরে ৩৪% আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শাসক দল জয়ী। এখনও ভোটের দিনের যন্ত্রণা বাকি! এ সব করতে গিয়ে রাজ্যের ১ কোটি ৭৫ লক্ষ মানুষ ভোটদানের অধিকার থেকে ব়ঞ্চিত হলেন। এই জিনিস কখনও হয়নি।” তাঁর মতে রাজ্যে যে সব অংশে ভোট হবে, সেখানে আদালতের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও হতে পারে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এই বিষয়ে অন্তত  বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহার সাথে তিনি সহমত হলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে এই অভিযোগকে কোনও গুরুত্ব দিতে গররাজি শাসক দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বললেন, ”বিরোধীরা প্রার্থী খুঁজে না পেলে আমরা কী করব? গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিরোধীরা বুঝে গিয়েছে, তাদের সঙ্গে লোক নেই!” বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রাজ্যের শাসক দল মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ জয়লাভের ঘটনার বিষয়ে অধীর বাবু দাবি করে বললেন, ”মেনে নিলাম, তৃণমূলের জয় হয়েছে। এর পরে মুর্শিদাবাদে একটা মকশো নির্বাচন হোক। পুলিশ আর গুন্ডাদের সেই ভোটে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা বন্ধ থাক। সেখানে যদি তৃণমূল জেতে, আমি কথা দিচ্ছি সাংসদ-পদ ছেড়ে দেব!” সারা রাজ্যে যে কংগ্রেসের বলার মতো সাংগঠনিক শক্তি নেই, সে কথা একবারের জন্যেও উচ্চারণ করেননি এদিন অধীর বাবু। তাঁর মতে, কংগ্রেস এবং বামেদের মতো ‘ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি’কে তৃণমূল যত ধ্বংস করেছে, তত বিজেপির উত্থান হয়েছে। তিনি বললেন ,  ”এ রাজ্যে বিজেপির মুখ্য মদতদাতা (প্রোমোটার) মুখ্যমন্ত্রীই! বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধি ভাঙাতে ‘চোরাশিকারে’র সংস্কৃতি বাংলায় এসেছে তৃণমূলের হাত ধরে।এক দিকে আরএসএসের শাখা বেড়েছে। অন্য দিকে মানস ভুঁইয়ার মতো নেতাকে খুনের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দল ভাঙানো হয়েছে।” এই কথার জবাবে পালটা অভিযোগ এনে পার্থ বাবু বললেন, ”মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের কর্মসূচির মোকাবিলা করতে না পেরে ওঁরা এ সব বলছেন।”

Top
error: Content is protected !!