এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > তৃণমূল কোথায় গিয়ে লুকোবে, ওদের লুকোনোর জায়গা খুঁজতে বলুন। কি কারণে এমন বললেন অধীর চৌধুরী,জেনে নিন বিস্তারিত

তৃণমূল কোথায় গিয়ে লুকোবে, ওদের লুকোনোর জায়গা খুঁজতে বলুন। কি কারণে এমন বললেন অধীর চৌধুরী,জেনে নিন বিস্তারিত

তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের পর থেকেই যেন বিরোধীরা শাসকদল বিরোধী মিটিং-মিছিল,দলীয় কর্মসূচি আরো দ্বিগুন বাড়িয়ে দেয়েছে। একদিকে যেমন ‘গনতন্ত্র বাঁচাও’ সভা করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিজেপি,তেমনি চুপ করে বসে নেই প্রদেশ কংগ্রেসও।

তৃণমূল-বিজেপিকে টার্গেট করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আইন অমান্য কর্মসূচির ঝড় তুলছে সোমেন মিত্রের দল। গতকাল পুরুলিয়ায় কংগ্রেসের আইন অমান্য কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূলকেও তুলোধনা করলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বললেন,”তৃণমূলের যত মস্তান, যত গুলি বারুদ, তোদের বাপ পুলিশ, তার বাপ মমতা ব্যানার্জি। তোরা এক জায়গায় হয়ে যদি সবাই মিলে পশ্চিমবঙ্গে একটা বুথ লুট করে দেখাতে পারিস তাহলে আমি অধীররঞ্জন চৌধুরি সাংসদ পদ ছেড়ে দেব।”

সভায় অধীর বাবুর পাশাপাশি একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন AICC-র সাধারণ সম্পাদক এবং রাজ্যের দলীয় পর্যবেক্ষক তথা সাংসদ গৌরব গগৈ, কংগ্রেস নেতা ওমপ্রকাশ মিশ্র, প্রদেশ কংগ্রেস কার্যকরী সভানেত্রী দীপা দাশমুন্সি, পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়সহ রাজ্যের অন্য কংগ্রেস নেতা, কর্মীরা।

প্রসঙ্গত,গতকাল পুরুলিয়ার রাস ময়দানে কেন্দ্র এবং রাজ্যসরকারের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে জনসভা এবং আইন অমান্য কর্মসূচির আয়োজন করেছিল কংগ্রেস। সেই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়েই বিজেপি এবং তৃণমূলকে বিভিন্ন ইস্যুতে একইসঙ্গে ঘায়েল করেন প্রদেশ কংগ্রেসের এই হেভিওয়েট নেতা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সভামঞ্চ থেকেই বিরোধীদের কটাক্ষ করে বললেন,”দিল্লিতে কংগ্রেসের শীতকাল শেষ হয়ে এসেছে। বসন্ত আসতে চলেছে। আর দিল্লিতে বসন্ত আসা মানে আমাদের রাজ্যে বসন্তের দেরি নেই। রাহুল গান্ধির একার নেতৃত্বেই তিন রাজ্যে BJP সাফ। রাহুল গান্ধি আগে, নরেন্দ্র মোদি ভাগে। আর এখন তাঁর সঙ্গে যোগদান করেছেন প্রিয়াঙ্কা। তাই BJP-র কী অবস্থা হতে চলেছে তা আপনারা বুঝতেই পারছেন। আগামীদিনে ভারতবর্ষের দায়িত্ব নেবেন রাহুল গান্ধি।”

প্রসঙ্গত,সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে হারিয়ে তিন রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস। অধীর বাবুর বক্তব্য,রাহুল গান্ধীর একার নেতৃত্বে তিন রাজ্য থেকে ধুলিসাৎ হয়েছে বিজেপি। কাজেই আগামী লোকসভা ভোটে কেন্দ্র থেকে মোদী হটাবে রাহুলই এমনটাই দাবী করলেন তিনি।

তাছাড়া সম্প্রতি রাহুলের সঙ্গে বিজেপি হটাও কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। কাজেই এই মজবুত সংগঠন নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে জয় হাসিল করতে কংগ্রেসের যে বেগ পেতে হবে না এমনটাই আশা অধীর বাবুর। মঞ্চ থেকে তাই সগর্বে ঘোষণা করলেন,আগামীদিনে প্রধানমন্ত্রীর পদে রাহুল গান্ধীকেই বরণ করবে দেশবাসী।

অন্যদিকে,রাজ্যের শাসকদলকেও একহাত দিয়ে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের এই দাপুটে নেতা। বললেন,তৃণমূলের অপশাসনের ইতিবৃত্ত জানতে আর বাকি নেই পশ্চিমবঙ্গবাসীর। যেভাবে রাজ্যে দুর্নীতির ঝড় তুলেছে তৃণমূল তাতে বোঝাই যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতনের দামামা বেজে গিয়েছে। বললেন,তৃণমূলের আর লোকানোর জায়গা নেই।

কোথায় লুকাবে তার কোনো জায়গা পাচ্ছে না তাঁরা। পঞ্চায়েত ভোটে যেভাবে সন্ত্রাসকে হাতিয়ার করে অগণতান্ত্রিক পথে জয় পেয়েছে তাঁরা,লোকসভা ভোটে আর সেরকম করার সুযোগ পাবে না। কারণ কেন্দ্রের সশস্ত্রবাহিনীর নজরদারিতেই ভোট হবে। কাজেই আসন্ন নির্বাচনেই তৃণমূলের ক্ষমতার প্রমাণ পাওয়া যাবে,এমনটাই গর্জে উঠে জানালেন অধীর চৌধুরী।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!