এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মির্জা অথবা ম্যাথু – কেউ একজন সত্যিটা বলছেন না? নারদ নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা!

মির্জা অথবা ম্যাথু – কেউ একজন সত্যিটা বলছেন না? নারদ নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা!

নারদ তদন্ত একেবারে শেষের পথে – আর তদন্তের জাল গোটাতে ইতিমধ্যেই পুলিশ অফিসার মির্জাকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। আর সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হতেই, মির্জার বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি, তিনি নাকি মুকুল রায়ের নির্দেশে ছদ্মবেশী সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েলের কাছ থেকে ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, সেই টাকা তিনি পরবর্তীকালে মুকুল রায়কে হস্তান্তরিতও নাকি করেন!

স্বাভাবিকভাবেই, এর পরে সিবিআই ডেকে পাঠায় বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে। এমনকি, মির্জার মুখোমুখি বসিয়ে জেরাও করা হয় তাঁকে। সেদিন সিবিআই দপ্তর থেকে বেরিয়ে অবশ্য মুকুলবাবু সামনে নিয়ে আসেন – ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব। তিনি সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তোলেন! মুকুলবাবুর পাল্টা বিস্ফোরক অভিযোগ ছিল – তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশেই নাকি তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের ষড়যন্ত্র রচনা করা হচ্ছে।

কিন্তু সেই ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্বের পরেও সিবিআই রেহাই দেয় নি মুকুল রায়কে। উল্টে, মির্জাকে নিয়ে সোজা যাওয়া হয় মুকুল রায়ের ফ্ল্যাটে। সেখানে মুকুল রায়কে বসিয়ে রেখে, পুরো ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও ভিডিওগ্রাফি করা হয়। আর এরপর মির্জা বয়ান দেন, সিবিআইকে সব সত্যি বলে তিনি নাকি চাপমুক্ত হয়েছেন! কিন্তু, এইখানেই উঠে আসছে নতুন এক তথ্য! যা রীতিমত ভাবিত করে তুলেছে তদন্তকারী অফিসারদের বলে সূত্রের খবর।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

নারদ স্টিং অপারেশনের মূল ‘মাস্টারমাইন্ড’ ম্যাথু স্যামুয়েল জেরায় জানিয়েছিলেন – পুরো নারদ কাণ্ডটি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কেডি সিংয়ের টাকায় হয়েছিল। আর এর জন্য কেডি সিং নাকি তাঁকে ১ কোটি টাকার মত দিয়েছিলেন। এই নিয়ে কেডি সিংকেও সিবিআই জেরার মুখে পড়তে হয়েছে। এদিকে নারদ কাণ্ডে একাধিক তৃণমূল নেতা-নেত্রীকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল স্টিং অপারেশনের ফুটেজে (যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার তরফে যাচাই করে দেখা সম্ভব হয় নি)।

আর এরফলেই প্রশ্ন উঠছে, যদি কেডি সিং মোট ১ কোটি টাকা সমগ্র নারদ কাণ্ডের জন্য দিয়ে থাকেন, তাহলে শুধু মির্জা কি করে ‘মুকুল রায়ের জন্য’ (মির্জার দাবি মত) ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা নিলেন? এক্ষত্রে টাকার পরিমানে একটা বড়সড় ফারাক দেখা যাচ্ছে! আর সেই সূত্র থেকেই একটা ব্যাপার স্পষ্ট হচ্ছে – হয় পুলিশ অফিসার মির্জা অথবা সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল – কেউ একজন সঠিক তথ্য বা সত্য বলছেন না! আর এরফলেই আইনজ্ঞ মহলের ধারণা, এক্ষেত্রে কেডি সিংয়ের ব্যান বড়সড় ভূমিকা নিতে পারে।

আর এইসবের ভিত্তিতেই এবার জল্পনা বাড়ছে, তাহলে কবে সামনে আসবে নারদ কাণ্ডের চার্জশীট? কেননা, প্রাথমিক ভাবে শোনা গিয়েছিল, পুজোর আগেই নারদ কাণ্ডের চার্জশীট জমা পরে যেতে পারে। এর মাঝেই, নতুন করে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে মির্জার অভিযোগ ও তার ভিত্তিতে তদন্তের জন্য – আরো কিছুদিন সময় নিয়ে অক্টোবরের মাঝামাঝি তা জমা পড়তে পারে বলে শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে এসে, টাকার অঙ্কের এই মারাত্মক গরমিল – তদন্তে নতুন কোনো দিক খুলে দেয় কিনা সেদিকেই আপাতত তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!